• ই-পেপার

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে : গোলাম মাওলা রনি

শায়রুল কবির

অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন। পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে তিনি দ্রুতই দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে তিনি এসব তথ্য জানান।

শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, ‘তিনি (মির্জা আব্বাস) পূর্ণ সুস্থ হয়ে দ্রুত আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। এ জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।’

এর আগে গত ১৬ মে শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে মালয়েশিয়ায়র কুয়ালালামপুরের প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস। ওই দিন তিনি বলেছিলেন, গুরুতর অসুস্থতা কাটিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস। মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বিএনপির এই নেতার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তিনি দেশে ফেরার জন্য অস্থির হয়ে আছেন। সবার দোয়া ও আল্লাহর অশেষ রহমতে মির্জা আব্বাস এখন অনেকটাই সুস্থ। তবে এখনো তার ফিজিওথেরাপি চলছে। নিউরোসংক্রান্ত বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হলেও তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চিকিৎসকরা নিয়মিত ফলোআপ ও ফিজিওথেরাপির পরামর্শ দিয়েছেন। মালয়েশিয়ায় যাওয়ার আগে মির্জা আব্বাস সিঙ্গাপুর চিকিৎসা নেন। সেখানের চিকিৎসকরাও তার সুস্থতাকে বিস্ময়কর হিসেবে দেখেছিলেন।

গত ১১ মার্চ রমজান মাসের ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। সাবেক এই মন্ত্রীকে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ ধরা পড়ে। এতে ওই দিন রাতেই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। এরপর তার মস্তিষ্কে দুই দফা অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে প্রথমে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য তাকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়। তিনি এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাস।

অনুদানের তালিকায় মেয়ের নাম, এমপিকে সতর্ক করল জামায়াত

নিজস্ব প্রতিবেদক
অনুদানের তালিকায় মেয়ের নাম, এমপিকে সতর্ক করল জামায়াত

নড়াইল-২ (সদরের একাংশ ও লোহাগড়া) আসনের দলের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বাচ্চুকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

রবিবার (২৮ জুন) জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সম্প্রতি সংঘটিত একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বাচ্চুকে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আতাউর রহমানের বাচ্চু ঐচ্ছিক তহবিল থেকে অনুদান প্রদানের জন্য সচিবালয় থেকে অনুমোদিত তালিকার দুই জায়গায় তাঁর মেয়ের নাম পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা হওয়ার পর তাঁকে সতর্ক করল জামায়াত।

এনসিপি জনগণের আশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে : সেঁজুতি

অনলাইন ডেস্ক
এনসিপি জনগণের আশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে : সেঁজুতি

এনসিপির অঙ্গসংগঠন যুব শক্তির ঢাকা জেলা উত্তরের আহ্বায়ক সেঁজুতি হোসাইন বলেছেন, ‘এনসিপিতে অভিজ্ঞতার অভাব রয়েছে। এ কারণে তারা অনেক ভুলভাল ডিসিশন নিয়েছে। জনগণের আশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।’

বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর শনিবার (২৭ জুন) একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সেঁজুতি হোসাইন বলেন, ‘আমি বিএনপিতে এসেছি কোনো পদ-পদবির লোভে নয়। জনগণের জন্য কাজ করতে বিএনপিতে যোগ দিয়েছি। আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, ভোটাধিকারে বিশ্বাসী। এলাকার সমস্য সমাধানের জন্য আমার যতটুকু করা দরকার চেষ্টা করে যাব। সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকব।’

তিনি বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছে দুই বছর। সেই জুলাই থেকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও পরে নাগরিক কমিটির ব্যানারে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নেই। মানুষকে আমাদের সঙ্গে আসার কথা বললে তারা জানতে চাইত নাগরিক কমিটি কী? তারা চিনত না জানত না। যদিও বছরখানেক হলো এনসিপি দল হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে।’

এ নেত্রী বলেন, ‘নিজের পরিবারকে দূরে ঠেলে, পকেটের টাকা খরচ করে, সময় দিয়ে এনসিপিকে দাঁড় করিয়েছি। একটা দল হিসেবে পরিচয় দিয়েছি। আমরা যারা সময় দিয়েছি, বিশেষ করে ঢাকা উত্তর জেলায় নাগরিক পার্টি তাদের ব্যাপকভাবে হতাশ করেছে।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘তারা একেকজন নেতৃবৃন্দকে ধরে এনে কার বিনিময়ে নমিনেশন দিয়েছে। এখানে দিলশানা পারুল নামে একজনকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। তাকে কউ চেনেই না। জামায়াতের সঙ্গে জোট হওয়ার কারণে তিনি কিছু ভোট পেয়েছেন আর তিনি আমার বিরুদ্ধে কথা বলেন।’

আমি প্রথম ‘বলির পাঁঠা’ হতে পারি, কিন্তু শেষ নই : মাহফুজ আলম

অনলাইন ডেস্ক
আমি প্রথম ‘বলির পাঁঠা’ হতে পারি, কিন্তু শেষ নই : মাহফুজ আলম

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি রহস্যময় পোস্ট শেয়ার করছেন। পোস্টে ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত এড়িয়ে সর্বোচ্চ ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে তিনি নিজেকে ‘প্রথম বলির পাঁঠা হবেন’ উল্লেখ করে একে একে আরও অনেকে লক্ষ্যবস্তু হতে পারেন বলে সতর্ক করে এ পোস্টটি করেন।

পোস্টের শুরুতে মাহফুজ আলম লেখেন, ‘আমি প্রথম বলির পাঁঠা বা টার্গেট হতে পারি, কিন্তু শেষ নই। একে একে আপনাদের সবাইকে টার্গেট করা হবে। এর পরিণতি আপনারা সামাল দিতে পারবেন না।’

এরপর তিনি লেখেন, ‘শত্রুর সেবা করে কেউ বলির পাঁঠা হবেন না। বলির পাঁঠাদের শেষ পর্যন্ত উৎসর্গ করা হয়। সব ধরনের ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত এড়িয়ে চলুন। সর্বোচ্চ ঐক্যের লক্ষ্যে কাজ করুন।’

পোস্টে জার্মান-আমেরিকান প্রযুক্তি উদ্যোক্তা পিটার থিয়েলের একটি উদ্ধৃতি উল্লেখ করেন তিনি। উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সম্ভবত প্রতিটি আধুনিক রাজাই এমন এক বলির পাঁঠা, যে কেবল নিজের মৃত্যুদণ্ড কিছু সময়ের জন্য পিছিয়ে দিতে পেরেছে।’ একই সঙ্গে তিনি ফরাসি দার্শনিক রেনে জিরারের বই পড়ার পরামর্শও দেন।

তবে এ পোস্টে মাহফুজ আলম কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা নির্দিষ্ট ঘটনার কথা উল্লেখ করেননি। ঠিক কোন প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেছেন, সে বিষয়েও স্পষ্ট করেননি।