মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা
পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্য খাতকে সম্পূর্ণ
ঢেলে সাজাচ্ছে সরকার।
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী

মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা
পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্য খাতকে সম্পূর্ণ
ঢেলে সাজাচ্ছে সরকার।
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী

‘তোমাকে, যে আমাদের জীবনটা বদলে দিয়েছ, দিয়েছ অতুলনীয় সব মুহূর্ত, জানিয়েছ স্বপ্নও সম্ভব। আর এটি শুধু জানা নয়, তোমার সঙ্গে কাটিয়েছি আমরা সেই মুহূর্ত। শুভ জন্মদিন ক্যাপ্টেন, আমাদের প্রাণঢালা ভালোবাসা। অনেক সুখী হও।’ লিওনেল মেসির জন্মদিনে ভালোবাসার এমনই অর্ঘ্য অর্পণ করেছেন তাঁর সতীর্থরা। কথাগুলো লেখা ছিল প্রত্যেকের টি-শার্টে, সেই টি-শার্ট গায়েই গত পরশু ক্যাপ্টেনের জন্মদিনের কেক কেটেছেন তাঁরা।
মাঠে দেখা যায়, গোটা দলটা মেসিকে কেন্দ্র করে কিভাবে খেলে। কিভাবে সেই ২০১৯-এর কোপা আমেরিকা থেকে তারা একাট্টা হয়েছিল মেসির হাতে একটা কাপ তুলে দেবে বলে। লিওর ৩৯তম জন্মদিনে এসে সেটি ভাষায় প্রকাশ পেল। বর্তমান দলটির ১৭ জন খেলোয়াড় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। মেসিকে নিয়েই সেই স্বপ্নময় মুহূর্ত পাড়ি দিয়েছেন তাঁরা। আরো একটি বিশ্বকাপে যা-ই ঘটুক, মেসি আসন নিয়েছেন তাঁর সঙ্গীদের হৃদয়ে। জন্মদিনটা বরং রং পেয়েছে মেসি এই বিশ্বকাপটা দুর্দান্ত ফর্মে থেকে শুরু করেছেন সে কারণে, দুই ম্যাচে ৫ গোল। মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ড ভেঙে দিয়ে এখন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি। আর্জেন্টিনাও এক ম্যাচ হাতে রেখেই উঠে গেছে নক আউট রাউন্ডে। বাংলাদেশ সময় রবিবার সকালে আলবিসেলেস্তেরা জর্দানের বিপক্ষে নামবে আনুষ্ঠানিকতার ম্যাচ খেলতে। শেষ ৩২-এ চোখ রেখেই নিশ্চিত এই ম্যাচের পরিকল্পনা সাজাবেন লিওনেল স্কালোনি। ধরেই নেওয়া হচ্ছে, মূল একাদশ এই খেলায় প্রায় পুরোটাই পাল্টে ফেলা হবে। রাইট ব্যাকে গনসালো মনতিয়েল ফিরছেন, সেন্টার ব্যাকে নিকোলাস ওতামেন্দির সঙ্গে মার্কোস সেনসি অথবা ফাকুন্দো মেদিনা, লেফট ব্যাকে শুরু করবেন নিকোলাস তাগলিয়াফিকো। মাঝমাঠে লিয়ান্দ্রো পারেদেস শুরুর একাদশে ফিরবেন, তাঁর সঙ্গে এজেকিয়েল প্যালাসিওস অথবা তরুণ ভ্যালেন্তিন বারকো। দুই উইংয়ে জুলিয়ানো সিমিওনে ও জিওভানি লো সেলসো আসতে পারেন। ফরোয়ার্ডে লাউতারো মার্তিনেসের জায়গায় হুলিয়ান আলভারেস। মেসি পুরো সময় না হলেও খেলবেন এশিয়ান দলটির বিপক্ষে, শুরুর একাদশে থাকতে পারেন, অথবা নামতে পারেন দ্বিতীয়ার্ধে। মেসি বেঞ্চে থাকলে তাঁর জায়গায় দেখা যেতে পারে আরেক তরুণ প্রতিভাবান নিকোলাস পাজকে।
শেষ ৩২-এ চোখ রেখে নিশ্চিতভাবে শক্তি সঞ্চয়ে রাখতে চাইবেন আর্জেন্টিনার প্রাণভোমরা। ২৪ জুন জন্মদিনেও আর সবার সঙ্গে অনুশীলন করেছেন তিনি। সকাল থেকেই কানসাস সিটির টিম হোটেলের সামনে ভিড় করেছেন মেসিভক্তরা। সেখানেই তাঁরা কেক কেটেছেন, ড্রাম বাজিয়ে, মেসিকে নিয়ে গান গেয়ে উদযাপন করেছেন প্রিয় লিওর পৃথিবীতে আসার দিনটিকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চোখ রাখলেও দেখা যাচ্ছিল মেসির প্রতি শুভেচ্ছার ডালি। আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ‘তেলেফে’ তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্টে আহবান জানায় মেসিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ভিডিও পোস্ট করতে। স্কুলের শিশুদের থেকে শুরু করে রাস্তার শ্রমজীবী মানুষ, ড্রয়িংরুম থেকে শুরু করে অলিগলি, মাঠ, রেস্টুরেন্ট—কোথা থেকে, কাদের থেকে সেই ভিডিও আসেনি বলুন! মেসিতে রীতিমতো ডুব দিয়েছেন আর্জেন্টাইনরা।
জর্দানের বিপক্ষে সেই মেসিহীন আর্জেন্টিনাকেও অনেকটা সময় দেখা যেতে পারে। আর্জেন্টিনার খেলার ধরন তো এখন প্রায় সবারই জানা। মেসি একটু নিচ থেকে একটা আক্রমণ শুরু করেন, বল দুই উইংয়ের কোনো দিকে ছড়িয়ে যায়, এই সময়ের মধ্যে গোলের গন্ধ শুঁকে তিনি আবার ঠিক ওপরে চলে আসেন, বল আসে তাঁর কাছে এবং গোলের সম্ভাবনা তৈরি হয়। জানা ছক, তবু তাঁকে আটকানো যায় না। মেসি-মহিমা সেখানেই।
জর্দানের বিপক্ষে যতটুকুই খেলুন, নক আউট পর্বে নিশ্চিতভাবে সতেজ মেসিকেই চাইবেন স্কালোনি। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় এরই মধ্যে আর্জেন্টিনার নক আউট পর্বের পথরেখাটাও তৈরি হয়ে গেছে। মায়ামিতে শেষ ৩২-এর ম্যাচ খেলছে তারা, প্রতিপক্ষ এইচ গ্রুপের স্পেন, উরুগুয়ে, কেপ ভার্দে ও সৌদি আরবের যেকোনোটি হতে পারে। আটলান্টায় শেষ ষোলোয় প্রতিপক্ষ গ্রুপ-ডি ও গ্রুপ-জি রানার্স আপের মধ্যকার লড়াইয়ের বিজয়ী দল। কোয়ার্টার ফাইনালে দেখা হয়ে যেতে পারে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালের সঙ্গে, ম্যাচটি হবে কানসাস সিটিতে। আর সেমিফাইনালে ব্রাজিলের সঙ্গে হতে পারে সুপার ক্লাসিকো। সেই ম্যাচটিও হবে আটলান্টায়। ১৮ গোলেই হয়তো থামছেন না মেসি, সংখ্যাটি কোথায় নিয়ে যান সেটিই দেখার। এখন পর্যন্ত আর্জেন্টিনার ৫ গোলের পাঁচটিই তাঁর। তবে আর্জেন্টিনা এখনো কোনো গোল হজম করেনি। ৪৮টি দলের মধ্যে এই পর্যন্ত চারটি দল শুধু তাদের পোস্ট সুরক্ষিত রাখতে পেরেছে, আর্জেন্টিনা তার একটি। শুধু তা-ই নয়, দুই ম্যাচে একটিমাত্র সেভ দিতে হয়েছে এমিলিয়ানো মার্তিনেসকে। মেসির উজ্জ্বলতার পাশে সতীর্থদের এই নিবেদনই টেনে নিয়ে চলছে আর্জেন্টিনাকে।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের তখন এক ঘণ্টা পেরিয়েছে। নিজেদের অর্ধ থেকে বল নিয়ে সামনে এগিয়ে যান মার্কিনিয়োস। এই সেন্টার ব্যাকের মধ্যে কোনো তাড়াহুড়া ছিল না, যেন সবকিছু নিয়ন্ত্রণে। ঠিক যেমন ম্যাচজুড়ে ছিল ব্রাজিল। মার্কিনিয়োস যখন মধ্যমাঠের কাছে পৌঁছেন, তখন সামনে ফাঁকা না পেয়ে পাশে থাকা গ্যাব্রিয়েলের কাছে বল ঠেলে দেন। গ্যাব্রিয়েল দ্রুত পাস বাড়ান স্কটল্যান্ডের অর্ধে থাকা ডগলাস সান্তোসের কাছে। সান্তোসের পা ঘুরে বল চলে যায় মাতিয়েস কুনিয়ার কাছে। কাগজে-কলমে তিনি ব্রাজিলের সেন্টার ফরোয়ার্ড, কিন্তু তখন তাঁর অবস্থান ছিল মধ্যমাঠে। কুনিয়া সঙ্গে সঙ্গে বল ব্যাক পাস দেন গ্যাব্রিয়েলকে। এরপর আবার মার্কিনিয়োস, সেখান থেকে দানিলো। বল ঘুরছে ছন্দোময় গতিতে। স্কটল্যান্ডের খেলোয়াড়রা এক পাশ থেকে আরেক ছুটছেন, আর ব্রাজিল ধৈর্য ধরে পাস খেলছে। কিন্তু সেই ধৈর্যই রূপ নেয় বিস্ফোরণে।
হঠাৎই গতি বাড়িয়ে দেন দানিলো। কিছুটা এগিয়ে তাঁর দেওয়া একটি পাস পৌঁছে যায় লুকাস পাকেতার কাছে। পাকেতা প্রথম টাচেই বল দেন কাসেমিরোকে। আর কাসেমিরো প্রথম স্পর্শেই স্কটিশ রক্ষণভাগ ভেঙে বল বাড়িয়ে দেন ডান দিক দিয়ে ছুটে চলা ব্রুনো গিমারেসের সামনে। কেনি ম্যাকলিনকে শক্তির লড়াইয়ে হারিয়ে দেন ব্রুনো। একমুহূর্তের কৌশলী পায়ে জ্যাক হেন্ড্রিকেও ছিটকে দেন। বক্সে ঢুকতেই তিনজন স্কটিশ খেলোয়াড় তাঁর দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েন—নাথান প্যাটারসন, ফিরে আসা হেন্ড্রি এবং গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গান। ঠিক তখনই ব্রুনো শরীর ঘুরিয়ে আরো ভেতরে যাওয়ার ভান করেন। সবাই তাঁর দিকে ঝুঁকে পড়েন। আর সেই সুযোগে বলটি আলতো করে ঠেলে দেন বিপরীত দিকে, যেখানে পেছন থেকে দৌড়ে এসে হাজির হন কুনিয়া। ফাঁকা পোস্টে বল জড়িয়ে দিতে তাঁর কোনো ভুল হয়নি। পুরো আক্রমণের আগে ১৮ সেকেন্ড ব্রাজিল নিজেদের রক্ষণে বল ধরে রেখেছিল। এরপর মাত্র ৭ সেকেন্ডে বল জালে। ২৫ সেকেন্ডের এই আক্রমণেই ধরা পড়েছে সেই ব্রাজিলকে, যাকে ফুটবলবিশ্ব যুগের পর যুগ দেখে আসছে। অবাক করা ব্যাপার যে এই গোলের সঙ্গে সরাসরি যোগসূত্র ছিল না দিনের সেরা খেলোয়াড় ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের। কিন্তু সেটাই যেন ব্রাজিলের আসল সৌন্দর্য। ব্যক্তিগত তারকার ঝলক নয়, বরং একের পর এক নিখুঁত পাসে বলের অবাধ প্রবাহই তাদের ফুটবলকে অনন্য করে তোলে।
বিশ্বকাপে আসার আগে এই ব্রাজিল দলকে ঘিরে অসংখ্য প্রশ্ন ছিল। মরক্কোর বিপক্ষে বাজে পারফরম্যান্স সেই প্রশ্নের স্রোত আরো বাড়িয়ে দেয়। এরপর হাইতির বিপক্ষে তিন গোলের জয় কিছুটা স্বস্তি দিলেও, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেও ৩-০ গোলের জয়ে প্রথমবারের মতো মনে করিয়ে দিল, হয়তো ব্রাজিল আবার সেই ব্রাজিল হয়ে উঠছে। গত দুই দশকে বিশ্বকাপের মঞ্চে সেলেসাওদের যাত্রা ছিল হতাশার গল্পে ভরা। ২০০৬ সালে জিনেদিন জিদানের ফ্রান্স, ২০১০ সালে ওয়েসলি স্নেইডারের নেদারল্যান্ডস, ২০১৪ সালে জার্মানির ঐতিহাসিক ৭-১, ২০১৮ সালে থিবো কোর্তোয়া-কেভিন ডি ব্রুইনাদের বেলজিয়াম এবং ২০২২ সালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে বিদায়—প্রতিবারই স্বপ্ন ভেঙেছে। এই সময়জুড়ে ব্রাজিল ভালো খেলেছে, কিন্তু সেই পুরনো জাদুটা খুব কমই দেখা গেছে। নেইমার প্রায় একাই দলকে কাঁধে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। নতুন প্রজন্মের অনেক সমর্থকের তাই প্রশ্ন ছিল, ব্রাজিলকে নিয়ে এত কথা কেন? এই সেলেসাওদের বিশেষত্ব কোথায়? উত্তর খুঁজতে আবার দেখুন সেই ২৫ সেকেন্ডের আক্রমণ। সেখানে আছে ধৈর্য, ছন্দ, হঠাৎ গতি পরিবর্তন, ব্যক্তিগত দক্ষতা, নিঃস্বার্থতা এবং নিখুঁত সমন্বয়। আছে ‘ও জোগো বোনিতো’—সুন্দর ফুটবলের প্রকৃত রূপ। কুনিয়ার করা ব্রাজিলের তৃতীয় গোলটি ফুটবলবিশ্বে একটি বার্তা পৌঁছে দিয়েছে—পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এবার সত্যিই কিছু করে দেখাতে এসেছে।
এই ব্রাজিলের পুনর্জাগরণের পেছনে সবচেয়ে বড় কারিগর কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি দলটিকে নতুন পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ব্যক্তিনির্ভর ফুটবল থেকে বেরিয়ে একটি দল হয়ে খেলায় জোর দিয়েছেন। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় গোলটি ছিল সেই দর্শনেরই প্রতিফলন। রক্ষণ থেকে আক্রমণে ওঠা, দ্রুত পাসের আদান-প্রদান এবং নিখুঁত সমন্বয়—সবকিছুই ছিল পরিকল্পনার অংশ। সেখানে কোনো একক তারকার ঝলক নয়, বরং পুরো দলের প্রচেষ্টা ছিল চোখে পড়ার মতো। আনচেলোত্তির অধীনে ব্রাজিল আবারও ছন্দোময় ও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে। সবচেয়ে বড় কথা, দলটি এখন আরো সংগঠিত। মাঠে প্রতিটি খেলোয়াড় নিজের ভূমিকা সম্পর্কে পরিষ্কার। দীর্ঘদিন পর ব্রাজিলকে দেখে আবার সেই পুরনো ‘সেলেসাও’-এর আবহ পাওয়া যাচ্ছে। আর সেই পরিবর্তনের ‘ক্রেডিট’ আনচেলোত্তির। নক আউট পর্বেও ‘জোগো বোনিতো’র ছন্দ মেলে ধরার চ্যালেঞ্জ সেলেসাওদের।

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শার্লেটে। এ সময় জামায়াত আমির বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে ফ্রান্সের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহবান জানান।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ফ্রান্স দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যাটাচি এমিলি পালাউয়ান উপস্থিত ছিলেন। জামায়াত আমিরের সঙ্গে আরো উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।
বৈঠকে বাংলাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর টেকসইকরণ, মানবাধিকার পরিস্থিতি, বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে দুর্নীতি দূরীকরণ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়।
বিরোধীদলীয় নেতা বাংলাদেশের সঙ্গে ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রশংসা করেন।