• ই-পেপার

নেইমারের আনন্দাশ্রুতে ভিজবে সোনালি ট্রফি?

বজ্রপাতে খেলা বন্ধ, জয়ের অপেক্ষা বাড়ল বাংলাদেশের

ক্রীড়া প্রতিবেদক
বজ্রপাতে খেলা বন্ধ, জয়ের অপেক্ষা বাড়ল বাংলাদেশের
বজ্রপাতের কারণে মাঠ ছাড়ছেন আম্পায়ার ও খেলোয়াড়রা। ছবি: মীর ফরিদ, মিরপুর থেকে

অস্ট্রেলিয়ার পরাজয় আর বাংলাদেশের জয় প্রায় নিশ্চিত। শুধু দেখার বাকি ছিল ব্যবধানটা। 

এমন সময় শুরু হলো বজ্রপাত! দুই দলের খেলোয়াড় ও মাঠের আম্পায়াররা তাই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ফিরে গেলেন ড্রেসিংরুমে। মিরপুরে খেলা আপাতত বন্ধ। বাংলাদেশের জয়ের অপেক্ষা তাই বাড়ল।

প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দেওয়া ২৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪২.২ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। সফরকারীদের জিততে দরকার ৪৬ বলে ৯৪ রান, স্বাগতিকদের চাই একটিমাত্র উইকেট অথবা ২৮৩ রানের মধ্যে আটকে ফেলা।

ম্যাচটা জিতলেই ২১ বছর পর ওয়ানডে অস্ট্রেলিয়াকে বধ করবে বাংলাদেশ। লাল-সবুজের দল এর আগে অস্ট্রেলিয়ানদের বিপক্ষে একবারই ওয়ানডে ম্যাচ জিতেছিল; ২০০৫ সালে কার্ডিফে। 

সর্বোচ্চ সাফল্যে চোখ মেক্সিকোর

ক্রীড়া ডেস্ক
সর্বোচ্চ সাফল্যে চোখ মেক্সিকোর
ছবি : রয়টার্স

মেক্সিকো জাতীয় ফুটবল দল উত্তর আমেরিকার অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল পরাশক্তি। যারা ফিফা বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক হিসেবে ইতিহাস গড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অভিজ্ঞ কোচ ⁠জাভিয়ের আগুইরের অধীনে সাম্প্রতিক সময়ে চমৎকার ফর্মে রয়েছে দলটি।

কনকাকাফ অঞ্চলের অন্যতম সফল দল হিসেবে তারা রেকর্ডসংখ্যক কাপ জিতেছে । বর্তমান কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নও তারা। 

হুগো সানচেজ, রাফায়েল মার্কেজ, হাভিয়ের ‘চিচারিতো’ এরনান্দেস এবং গিয়ের্মো ওচোয়ার মতো খেলোয়াড়রা মেক্সিকো ফুটবলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তারকা। এই তারকারা বিশ্বমঞ্চে আলো ছড়ালেও দেশকে শুধু আঞ্চলিক কনকাকাফের ট্রফি জয়ে সীমাবদ্ধ ছিলেন।

তবে এবার বেশ কিছু তরুণ তারকায় আশা দেখছে দেশটি। স্বাগতিক হিসেবে সর্বোচ্চ সাফল্যে অর্জনে। এর মধ্যে সান্তিয়াগো গিমেনেজ ও এডসন আলভারেজ দিকে তাকিয়ে থাকবে পুরো মেক্সিকো।


কোচ : জাভিয়ের আগুইরে
অধিনায়ক :  এডসন আলভারেজ  
বিশ্বকাপ ইতিহাস
সেরা সাফল্য : ১৯৭০ এবং ১৯৮৬ কোয়ার্টার ফাইনাল
সর্বশেষ : ২০২২ বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ড
প্রথম :  উরুগুয়েতে অনুষ্ঠিত ১৯৩০ সালের উদ্বোধনী বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ 
অংশগ্রহণ : ১৮ বার
ফিফা র‌্যাংকিং : ১৫

বিশ্বকাপের গ্রুপ এ-তে দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া এবং চেক প্রজাতন্ত্রের মুখোমুখি হবে। 

খেলার সময়সূচি

১১ জুন : মেক্সিকো বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা (এস্তাদিও আজতেকা, মেক্সিকো সিটি) 

১৮ জুন : মেক্সিকো বনাম দক্ষিণ কোরিয়া (এস্তাদিও আক্রন, গুয়াদালাহারা)

২৪ জুন : মেক্সিকো বনাম চেক প্রজাতন্ত্র (এস্তাদিও আজতেকা, মেক্সিকো সিটি)

মেক্সিকোর বিশ্বকাপ স্কোয়াড

গোলরক্ষক : রাউল রাঙ্গেল (গুয়াদালাহারা), গিয়েরমো ওচোয়া (এএল লিমাসোল), কার্লোস অ্যাসেভেডো (সান্তোস লাগুনা)।

ডিফেন্ডার : হোর্হে সানচেজ (পিএওকে), ইজরায়েল রেয়েস (ক্লাব আমেরিকা), সিজার মন্টেস (লোকোমোটিভ মস্কো), জোহান ভাসকেজ (জেনোয়া), জেসুস গ্যালার্দো (টোলুকা), মাতেও শ্যাভেজ (এজেড)।

মিডফিল্ডার : এরিক লিরা (ক্রুজ আজুল), অরবেলিন পিনেদা (এইকে অ্যাথেন্স), আলভারো ফিডালগো (রিয়াল বেটিস), রবার্তো আলভারাদো, ব্রায়ান গুতেরেস, লুইস রোমো (গুয়াদালাজারা), এডসন আলভারেজ (ওয়েস্ট হ্যাম), ওবেদ ভার্গাস (অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ), গিলবার্তো মোরানা (তিউনি) লুইজোয়ানা (তবে)।

ফরোয়ার্ড : সেজার হুয়ের্তা (আন্ডারলেখ্ট), অ্যালেক্সিস ভেগা (টোলুকা), জুলিয়ান কুইনোনেস (আল-কাদসিয়া), গুইলারমো মার্টিনেজ (ইউএনএএম), আরমান্দো গঞ্জালেজ (গুয়াদালাজারা), সান্তিয়াগো গিমেনেজ (এসি মিলান), রাউল জিমেনেজ (ফুলহাম)।

দুঃস্মৃতি ভুলে দারুণ কিছুর প্রত্যয় উরুগুয়ের

ক্রীড়া ডেস্ক
দুঃস্মৃতি ভুলে দারুণ কিছুর প্রত্যয় উরুগুয়ের
ছবি : রয়টার্স

আন্তর্জাতিক ফুটবলের অন্যতম সফল এবং ঐতিহাসিক একটি দল উরুগুয়ে। উরুগুয়ে ফুটবল দল, লা সেলেস্তে নামেও পরিচিতি। ১৯৩০ সালে ইতিহাসের প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ ঘরে তুলে লা সেলেস্তেরা। কনমেবল অঞ্চলের চতুর্থ স্থান অধিকারী দল হিসেবে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে মার্সেলো বিয়েলসা শিষ্যরা।

১৯৫০ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপের ফাইনালে স্বাগতিক এবং অপ্রতিরোধ্য ব্রাজিলকে তাদেরই মাঠ মারাকানায় ২-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় উরুগুয়ে। ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সেরা এই অঘটনের ম্যাচটি ‘ম্যারাকানাজো’ নামে পরিচিত।

উরুগুয়ে ফুটবল দল বরাবরই বিশ্বমানের ফুটবলার উপহার দিয়েছে। লুইস সুয়ারেজ (সর্বোচ্চ গোলদাতা), দিয়েগো ফোরলান ও এডিনসন কাভানির মতো কিংবদন্তি স্ট্রাইকাররা দীর্ঘ সময় দলকে সার্ভিস দিয়েছেন। বর্তমানে ফেদে ভালভার্দে, রোনাল্ড আরাউহো এবং ডারউইন নুনেজের মতো তরুণ ও বিশ্বমানের তারকারা দলটিকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

কোচ : মার্সেলো বিয়েলসা
অধিনায়ক :  হোসে মারিয়া হিমেনেজ
বিশ্বকাপ ইতিহাস
সেরা সাফল্য: চ্যাম্পিয়ন  ২ বার (১৯৩০, ১৯৫০)
সর্বশেষ : ২০২২ গ্রুপ পর্বে বিদায়
প্রথম : ১৯৩০ সালের উদ্বোধনী বিশ্বকাপে স্বাগতিক হিসেবে বিশ্বকাপ জয়
অংশগ্রহণ :  ১৩ বার 
ফিফা র‌্যাংকিং :  ৭তম
কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন : ১৫ বার
কনফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন : ২ বার

বিশ্বকাপের গ্রুপ এইচ-তে সৌদি আরব,স্পেন এবং কেপ ভার্দের মুখোমুখি হবে। 

গ্রুপ এইচের খেলার সময়সূচি

 ১৬ জুন : সৌদি আরব বনাম উরুগুয়ে, হার্ড রক স্টেডিয়াম, ফ্লোরিডা, ভোর ৪:০০টা 
 ২২ জুন : উরুগুয়ে বনাম কেপ ভার্দে, হার্ড রক স্টেডিয়াম, ফ্লোরিডা, ভোর ৪:০০টা
২৭ জুন :  উরুগুয়ে বনাম স্পেন, এস্তাদিও গুয়াদালাহারা, মেক্সিকো,সকাল ৬:০০টা

বিশ্বকাপের জন্য উরুগুয়ের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলকিপার : সার্জিও রচেট, ফার্নান্দো মুসলেরা ও সান্তিয়াগো মেলে।

ডিফেন্ডার : গুইলারমো ভ্যারেলা, রোনাল্ড আরাউহো, হোসে মারিয়া গিমেনেজ, সান্তিয়াগো বুয়েনো, সেবাস্টিয়ান ক্যাসেরেস, ম্যাথিয়াস অলিভেরা, জোয়াকিন পিকেরেজ ও মাতিয়াস ভিনিয়া।

মিডফিল্ডার : ম্যানুয়েল উগার্তে, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, রদ্রিগো বেন্টানকুর, ফেদেরিকো ভালভার্দে, অগাস্টিন ক্যানোবিও, হুয়ান ম্যানুয়েল সানাব্রিয়া, জিওরজিয়ান ডি আরনাসকায়েতা, নিকোলাস ডি লা ক্রুজ, রদ্রিগো জালাজার, ফাকুন্দো পেলেস্ত্রি, ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো, ব্রায়ান রদ্রিগেজ।

ফরোয়ার্ড : রদ্রিগো আগুয়িরে, ফেদেরিকো ভিনিয়াস এবং ডারউইন নুনেজ।

‘ট্র্যাজিক হিরো’ নেদারল্যান্ডসের চোখ ট্রফিতে

ক্রীড়া ডেস্ক
‘ট্র্যাজিক হিরো’ নেদারল্যান্ডসের চোখ ট্রফিতে
ছবি : রয়টার্স

ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাস অন্যতম সফল ফুটবল দল নেদারল্যান্ডস। তবে বিশ্বকাপে দলটির অংশগ্রহণে রয়েছে চরম ট্র্যাজিক এবং আক্ষেপ ভরা গল্পে। তারা আন্তর্জাতিক ফুটবলে অন্যতম শক্তিশালী দল হওয়া সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত কোনো শিরোপা জিততে পারেনি। তবে কোনো শিরোপা না জিতেও তারা সর্বোচ্চ তিনবার বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার এক অনন্য রেকর্ডের অধিকারী। এই কারণে ডাচদের ফুটবল ইতিহাসের ‘সেরা ট্র্যাজিক হিরো’ বলা হয় দলটিকে।

কিংবদন্তি ফুটবলার ইয়োহান ক্রুইফের নেতৃত্বে ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপে ডাচরা বিশ্বকে ‘টোটাল ফুটবল’ নামক এক বৈপ্লবিক খেলার কৌশল উপহার দেয়। মাঠ কাঁপিয়ে ফাইনালে উঠলেও স্বাগতিক পশ্চিম জার্মানির কাছে ২-১ গোলে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় তাদের। এরপর ডেনিস বার্গক্যাম্প, প্যাট্রিক ক্লুইভার্টরা নিজেদের সেরাটা দিয়েও শিরোপা খরা ঘোচাতে পারেনি। 

ওয়েসলি স্নাইডার, আরিয়েন রবেন ও রবিন ফ্যান পার্সিদের সোনালি প্রজন্মও ব্যর্থ হয় শিরোপা খরা ঘোচাতে।  তবে এবার আসন্ন বিশ্বকাপে তাদের উত্তরসূরি তারকা খেলোয়াড় মেমফিস ডিপাই এবং আর্সেনাল ডিফেন্ডার জুরিয়েন টিম্বাররা কি পারবে কাঙ্ক্ষিত শিরোপা এনে দিতে দেশটিকে।  

কোচ : রোনাল্ড কোম্যান 
অধিনায়ক : ভার্জিল ভ্যান ডাইক  

বিশ্বকাপ ইতিহাস
সেরা সাফল্য : রানার্স-আপ বা রানার্স ট্রফি লাভ (১৯৭৪, ১৯৭৮ এবং ২০১০)।
অন্যান্য বড় সাফল্য : তৃতীয় স্থান (২০১৪), চতুর্থ স্থান (১৯৯৮)।
সর্বশেষ : ২০২২ কোয়ার্টার ফাইনাল (কাতার বিশ্বকাপ)
প্রথম : ১৯৩৪ (ইতালি বিশ্বকাপ)
অংশগ্রহণ :  ১২ বার (২০২৬ বিশ্বকাপসহ)।
ফিফা র‌্যাংকিং : ৭ম

গ্রুপ-এফ-এ নেদারল্যান্ডসের প্রতিপক্ষ জাপান, সুইডেন ও তিউনিসিয়া। 

 খেলার সময়সূচি

 ১৫ জুন : নেদারল্যান্ডস বনাম জাপান, ডালাস স্টেডিয়াম, টেক্সাস, রাত ২টা। 
২০ জুন : নেদারল্যান্ডস বনাম সুইডেন,  হিউস্টন স্টেডিয়াম, টেক্সাস, রাত ১১টা।
২৬ জুন : তিউনিসিয়া বনাম নেদারল্যান্ডস, কানসাস সিটি স্টেডিয়াম, মিসৌরি, ভোর ৫টা। 

বিশ্বকাপের জন্য নেদারল্যান্ডস ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : বার্ট ফেরব্রুগেন (ব্রাইটন) মার্ক ফ্লেকেন (বায়ার লেভারকুসেন) রবিন রুফস (সান্ডারল্যান্ড)।

ডিফেন্ডার : ভার্জিল ফন ডাইক (অধিনায়ক-লিভারপুল) নাথান আকে (ম্যানচেস্টার সিটি) ডেনজেল ডামফ্রিস (ইন্টার মিলান) ইউরিয়েন টিম্বার (আর্সেনাল) মিকি ফন ডি ভেন (টটেনহ্যাম) ইয়ান পল ফন হেকে (ব্রাইটন) জোরেল হাটো (চেলসি)।

মিডফিল্ডার : ফ্রেংকি ডি ইয়ং (বার্সেলোনা) রায়ান গ্রাভেনবার্ক (লিভারপুল) তিউন কুপमেইনার্স (ইউভেক্সটারনাল) তিজানি রেইন্ডার্স (ম্যানচেস্টার সিটি)মার্টেন ডি রুন (আটালান্টা) গুস তিল (পিএসভি আইন্দহোভেন) কুইন্টেন টিম্বার (মার্সেই) ম্যাটস উইফার (ব্রাইটন)।

ফরোয়ার্ড : মেমফিস ডিপাই (করিন্থিয়ান্স) কোডি হাকপো (লিভারপুল) ডনিয়েল মালেন (রোমা) ভাউট ভেগহোর্স্ট (আয়াক্স) ব্রায়ান ব্রবি (সান্ডারল্যান্ড) ক্রিসেনসিও সামারভিল (ওয়েস্ট হ্যাম) জাস্টিন ক্লাইভার্ট (বোর্নমাউথ) নোয়া লাং (গালাতাসারাই)।