• ই-পেপার

ইরাকের স্ট্রাইকারকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ

দুস্মৃতি ভুলে দারুণ কিছুর প্রত্যয় উরুগুয়ের

ক্রীড়া ডেস্ক
দুস্মৃতি ভুলে দারুণ কিছুর প্রত্যয় উরুগুয়ের
ছবি : রয়টার্স

আন্তর্জাতিক ফুটবলের অন্যতম সফল এবং ঐতিহাসিক একটি দল উরুগুয়ে। উরুগুয়ে ফুটবল দল, লা সেলেস্তে নামেও পরিচিতি। ১৯৩০ সালে ইতিহাসের প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ ঘরে তুলে লা সেলেস্তেরা। কনমেবল অঞ্চলের চতুর্থ স্থান অধিকারী দল হিসেবে সরাসরি  বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে মার্সেলো বিয়েলসা শিষ্যরা।

১৯৫০ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপের ফাইনালে স্বাগতিক এবং অপ্রতিরোধ্য ব্রাজিলকে তাদেরই মাঠ মারাকানায় ২-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় উরুগুয়ে। ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সেরা এই অঘটনের ম্যাচটি ‘ম্যারাকানাজো’ নামে পরিচিত।

উরুগুয়ে ফুটবল দল বরাবরই বিশ্বমানের ফুটবলার উপহার দিয়েছে। লুইস সুয়ারেজ (সর্বোচ্চ গোলদাতা), দিয়েগো ফোরলান ও এডিনসন কাভানির মতো কিংবদন্তি স্ট্রাইকাররা দীর্ঘ সময় দলকে সার্ভিস দিয়েছেন। বর্তমানে ফেদে ভালভার্দে, রোনাল্ড আরাউহো এবং ডারউইন নুনেজের মতো তরুণ ও বিশ্বমানের তারকারা দলটিকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

কোচ: মার্সেলো বিয়েলসা
অধিনায়ক:  হোসে মারিয়া হিমেনেজ
বিশ্বকাপ ইতিহাস
সেরা সাফল্য: চ্যাম্পিয়ন  ২ বার (১৯৩০, ১৯৫০)
সর্বশেষ: ২০২২ গ্রুপ পর্বে বিদায়
প্রথম: ১৯৩০ সালের উদ্বোধনী বিশ্বকাপে স্বাগতিক হিসেবে বিশ্বকাপ জয়
অংশগ্রহণ:  ১৩ বার 
ফিফা র‌্যাংকিং:  ৭তম
কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন : ১৫ বার
কনফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন : ২ বার

বিশ্বকাপের গ্রুপ এইচ-তে সৌদি আরব,স্পেন এবং কেপ ভার্দের মুখোমুখি হবে। 

গ্রুপ এইচের খেলার সময়সূচি

 ১৬ জুন : সৌদি আরব বনাম উরুগুয়ে, হার্ড রক স্টেডিয়াম, ফ্লোরিডা, ভোর ৪:০০ টা 
 ২২ জুন : উরুগুয়ে বনাম কেপ ভার্দে, হার্ড রক স্টেডিয়াম, ফ্লোরিডা, ভোর ৪:০০ টা
২৭ জুন :  উরুগুয়ে বনাম স্পেন, এস্তাদিও গুয়াদালাহারা, মেক্সিকো,সকাল ৬:০০ টা

বিশ্বকাপের জন্য উরুগুয়ের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলকিপার: সার্জিও রচেট, ফার্নান্দো মুসলেরা ও সান্তিয়াগো মেলে।

ডিফেন্ডার: গুইলারমো ভ্যারেলা, রোনাল্ড আরাউহো, হোসে মারিয়া গিমেনেজ, সান্তিয়াগো বুয়েনো, সেবাস্টিয়ান ক্যাসেরেস, ম্যাথিয়াস অলিভেরা, জোয়াকিন পিকেরেজ ও মাতিয়াস ভিনিয়া।

মিডফিল্ডার: ম্যানুয়েল উগার্তে, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, রদ্রিগো বেন্টানকুর, ফেদেরিকো ভালভার্দে, অগাস্টিন ক্যানোবিও, হুয়ান ম্যানুয়েল সানাব্রিয়া, জিওরজিয়ান ডি আরনাসকায়েতা, নিকোলাস ডি লা ক্রুজ, রদ্রিগো জালাজার, ফাকুন্দো পেলেস্ত্রি, ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো, ব্রায়ান রদ্রিগেজ।

ফরোয়ার্ড: রদ্রিগো আগুয়িরে, ফেদেরিকো ভিনিয়াস এবং ডারউইন নুনেজ।

নেইমারের আনন্দাশ্রুতে ভিজবে সোনালি ট্রফি?

ক্রীড়া ডেস্ক
নেইমারের আনন্দাশ্রুতে ভিজবে সোনালি ট্রফি?
বিশ্বকাপের বল ট্রাইওন্ডা হাতে নেইমার। ছবি : ফিফা

শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার প্রিয়! নেইমার জুনিয়রের ক্যারিয়ারের উত্থানের গল্পটা এমনই ছিল। তার ড্রিবলিং আর গতি দর্শক-সমর্থকদের চোখের প্রশান্তি। ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে পৌঁছালেও সেই গল্পে নেই তেমন কোনো পরিবর্তন। তবে যোগ হয়েছে দীর্ঘ আক্ষেপ।

ব্রাজিলের হয়ে নামের পাশে সোনালি ট্রফি তো দূরে থাক নেই কোনো বড় শিরোপাও। আধুনিক ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম প্রতিভার ক্যারিয়ার তাই আক্ষেপ নিয়েই শেষ হওয়ার শঙ্কায়। তবে শেষ সুযোগ পাচ্ছেন ৩৪ বছর বয়সী ফুটবল জাদুকর।

আগের তিন বিশ্বকাপের গল্প ছিল শুধুই হতাশার। ঘরের মাঠের ২০১৪ বিশ্বকাপ দিয়ে শুরুটা হয়েছিল তার। সবকিছু সুন্দর মতোই চলছিল। তবে কোয়ার্টার ফাইনালে পাওয়া চোট সবকিছু বদলে দিল। কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার জুনিগার হাঁটুর আঘাত মেরুদণ্ডে চিড় ধরেছিল। আঘাতটা মেরুদণ্ডের আর কয়েক ইঞ্চি নিচে লাগলে চিরতরে পঙ্গু হয়ে যেতে পারতেন তিনি।

বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেও কাঙ্ক্ষিত ফল জুটেনি নেইমারের কপালে। তার ছিটকে যাওয়ার পর ঘরের মাঠের সেমিফাইনালে ব্রাজিলও হয় বিধ্বস্ত। জার্মানির কাছে বেলো হরিজন্তে ৭-১ ব্যবধানের হারটি বিশ্বকাপ ইতিহাসে তাদের সবচেয়ে বড় হার। পরের দুই বিশ্বকাপের গল্প কোয়ার্টারেই শেষ। কাতার বিশ্বকাপের সেই কান্না যেন এখন তরতাজা। সে সময়কার সতীর্থ দানি আলভেজ চেষ্টা করেও নেইমারের চোখ বেয়ে নামা অশ্রু থামাতে পারছিলেন না।

 

অশ্রু অবশ্য নেইমারের পুরো ক্যারিয়ারের সঙ্গী ছিল। চোট আর কান্না একাকার হয়েছে। ট্রান্সফার মার্কেটের হিসাবে, চোটের কারণে ক্যারিয়ারের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬১২ দিন মাঠের বাইরে তিনি। সবমিলিয়ে চোট পেয়েছেন ৪৮ বার। সঙ্গে মাঠের বাইরের কর্মকাণ্ডের কারণেও শিরোনাম হচ্ছিলেন। আড্ডা-মাস্তির সঙ্গে নারী আসক্তিতে যে মজেছিলেন তিনি। 

তাই সব ধরনের সম্ভাবনা থাকার পরেও লিওনেল মেসি-ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর যোগ্য উত্তরসূরি হতে পারেননি নেইমার। গোল ডটকমের উপস্থাপক চার্লি তাই বলেছেন, ‘আধুনিক ফুটবল ইতিহাসে প্রতিভার সবচেয়ে বড় অপচয় নেইমার।’

তবে এতকিছুর পরেও নেইমারই এখন ব্রাজিলের পোস্টার বয়। বিশ্বাস না হলে ১৯৯৪ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলয়ান কিংবদন্তি রোমারিওর মুখেই শুনুন, ‘শুধু নেইমারকে নিয়েই ২০২৬ বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ আছে  ব্রাজিলের। তাকে ছাড়া দলটি বিশ্বকাপ জিততে পারবে না। ১৯৬২ সালে ব্রাজিল গারিঞ্চা, ১৯৭০ সালে পেলে, ১৯৯৪ সালে রোমারিওকে এবং ২০০২ সালে রোনালদোকে নিয়ে জিতেছে। ২০২৬ সালে যদি তারা নেইমারকে ছাড়া খেলে, তবে তারা জিততে পারবে না।’

তাই সবকিছু পুষিয়ে দেওয়ার শেষ সুযোগ পাচ্ছেন নেইমার। ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলবেন এটা খুব করে চাচ্ছিলেন নিজেও। বিদায়ের ইঙ্গিত দিয়ে সাবেক বার্সেলোনা-পিএসজির সাবেক ফরোয়ার্ড বলেছেন, ‘২০২৬ বিশ্বকাপ খেলতে চাই। এটাই আমার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ।’ 

 

বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার সময় কার্লো আনচেলত্তি তার নাম বলতেই তাই আরেকবার কাঁদলেন নেইমার। আনন্দাশ্রুর ষোলোকলাপূর্ণ করা এখন তার দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে তাকে সহায়তা করবেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র-রাফিনিয়া-কাসেমিরোদের নিয়ে সাজানো ব্রাজিল দল।

আহত বাঘ যেমন বিপজ্জনক হয় নেইমারও সেই গর্জন দেখানোর সুযোগ পাচ্ছেন। শেষটায় জানপ্রাণ দিয়ে লড়ার। অনুপ্রেরণা হিসেবে মেসির অমরত্ব লাভের মুহূর্তটাকে ধারণ করতে পারেন কিংবা স্বদেশি রোনালদো ফেনোমেননকে। ১৯৯৯ সালে ভয়ংকর চোট পেয়েছিলেন রোনালদো। হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ায় ২০০২ বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন কিনা সেই শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। পরে ঠিকই দক্ষিণ কোরিয়া-জাপান বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে চ্যাম্পিয়ন করেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক স্ট্রাইকার। 

ব্রাজিলের পঞ্চম ও শেষ বিশ্বকাপ জয়ও ছিল সেটাই। এরপর দীর্ঘ ২৪ বছর পেরিয়ে গেলেও সোনালি ট্রফিটা ছুঁয়ে দেখা হয়নি সেলেসাওদের। ‘হেক্সা’ পূরণের স্বপ্ন তাই অধরাই থেকে গেছে। তাই ‘এক ঢিলে দুই পাখি মারার সুযোগ’ ব্রাজিলের সর্বোচ্চ ৭৯ গোলের মালিকের সামনে।

নেথপ্যেও এমন একজন পাচ্ছেন নেইমার যিনি ট্রফি শিকার করতে দক্ষ। বিশেষ করে ক্লাব ফুটবলের শীর্ষ পর্যায়ে যিনি ‘সেরাদের সেরা’ হিসেবে পরিচত। চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ ৫টি ট্রফি আনচেলত্তির নামের পাশে। তাই শীর্ষদের কাজ থেকে কিভাবে সেরাটা বের করতে হয় তা ভালো করেই জানেন আনচেলত্তি। সঙ্গে ইতালিয়ান কোচের সামনেও একটা চ্যালেঞ্জ আছে। সেই চ্যালেঞ্জ উত্তরে গেলেই গড়বেন ইতিহাস। ফুটবলের ইতিহাসে প্রথম বিদেশি কোচ হিসেবে জিতবেন বিশ্বকাপ। 

এখন সব সমীকরণ এক বিন্দুতেই মিলে যাওয়ার অপেক্ষা। ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে তাই ‘রাজপুত্রের’ মাথায় মুকুটটা শোভা পাক এমনটাই চাওয়া ভক্ত-সমর্থকদেরও।

‘ট্র্যাজিক হিরো’ নেদারল্যান্ডসের চোখ ট্রফিতে

ক্রীড়া ডেস্ক
‘ট্র্যাজিক হিরো’ নেদারল্যান্ডসের চোখ ট্রফিতে
ছবি : রয়টার্স

ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাস অন্যতম সফল ফুটবল দল নেদারল্যান্ডস। তবে বিশ্বকাপে দলটির অংশগ্রহণে রয়েছে চরম ট্র্যাজিক এবং আক্ষেপ ভরা গল্পে। তারা আন্তর্জাতিক ফুটবলে অন্যতম শক্তিশালী দল হওয়া সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত কোনো শিরোপা জিততে পারেনি। তবে কোনো শিরোপা না জিতেও তারা সর্বোচ্চ তিনবার বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার এক অনন্য রেকর্ডের অধিকারী। এই কারণে ডাচদের ফুটবল ইতিহাসের ‘সেরা ট্র্যাজিক হিরো’ বলা হয় দলটিকে।

কিংবদন্তি ফুটবলার ইয়োহান ক্রুইফের নেতৃত্বে ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপে ডাচরা বিশ্বকে ‘টোটাল ফুটবল’ নামক এক বৈপ্লবিক খেলার কৌশল উপহার দেয়। মাঠ কাঁপিয়ে ফাইনালে উঠলেও স্বাগতিক পশ্চিম জার্মানির কাছে ২-১ গোলে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় তাদের। এরপর ডেনিস বার্গক্যাম্প, প্যাট্রিক ক্লুইভার্টরা নিজেদের সেরাটা দিয়েও শিরোপা খরা ঘোচাতে পারেনি। 

ওয়েসলি স্নাইডার, আরিয়েন রবেন ও রবিন ফ্যান পার্সিদের সোনালি প্রজন্মও ব্যর্থ হয় শিরোপা খরা ঘোচাতে।  তবে এবার আসন্ন বিশ্বকাপে তাদের উত্তরসূরি তারকা খেলোয়াড় মেমফিস ডিপাই এবং আর্সেনাল ডিফেন্ডার জুরিয়েন টিম্বাররা কি পারবে কাঙ্ক্ষিত শিরোপা এনে দিতে দেশটিকে।  

কোচ : রোনাল্ড কোম্যান 
অধিনায়ক : ভার্জিল ভ্যান ডাইক  

বিশ্বকাপ ইতিহাস
সেরা সাফল্য : রানার্স-আপ বা রানার্স ট্রফি লাভ (১৯৭৪, ১৯৭৮ এবং ২০১০)।
অন্যান্য বড় সাফল্য : তৃতীয় স্থান (২০১৪), চতুর্থ স্থান (১৯৯৮)।
সর্বশেষ : ২০২২ কোয়ার্টার ফাইনাল (কাতার বিশ্বকাপ)
প্রথম : ১৯৩৪ (ইতালি বিশ্বকাপ)
অংশগ্রহণ :  ১২ বার (২০২৬ বিশ্বকাপসহ)।
ফিফা র‌্যাংকিং : ৭ম

গ্রুপ-এফ-এ নেদারল্যান্ডসের প্রতিপক্ষ জাপান, সুইডেন ও তিউনিসিয়া। 

 খেলার সময়সূচি

 ১৫ জুন : নেদারল্যান্ডস বনাম জাপান, ডালাস স্টেডিয়াম, টেক্সাস, রাত ২টা। 
২০ জুন : নেদারল্যান্ডস বনাম সুইডেন,  হিউস্টন স্টেডিয়াম, টেক্সাস, রাত ১১টা।
২৬ জুন : তিউনিসিয়া বনাম নেদারল্যান্ডস, কানসাস সিটি স্টেডিয়াম, মিসৌরি, ভোর ৫টা। 

বিশ্বকাপের জন্য নেদারল্যান্ডস ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : বার্ট ফেরব্রুগেন (ব্রাইটন) মার্ক ফ্লেকেন (বায়ার লেভারকুসেন) রবিন রুফস (সান্ডারল্যান্ড)।

ডিফেন্ডার : ভার্জিল ফন ডাইক (অধিনায়ক-লিভারপুল) নাথান আকে (ম্যানচেস্টার সিটি) ডেনজেল ডামফ্রিস (ইন্টার মিলান) ইউরিয়েন টিম্বার (আর্সেনাল) মিকি ফন ডি ভেন (টটেনহ্যাম) ইয়ান পল ফন হেকে (ব্রাইটন) জোরেল হাটো (চেলসি)।

মিডফিল্ডার : ফ্রেংকি ডি ইয়ং (বার্সেলোনা) রায়ান গ্রাভেনবার্ক (লিভারপুল) তিউন কুপमেইনার্স (ইউভেক্সটারনাল) তিজানি রেইন্ডার্স (ম্যানচেস্টার সিটি)মার্টেন ডি রুন (আটালান্টা) গুস তিল (পিএসভি আইন্দহোভেন) কুইন্টেন টিম্বার (মার্সেই) ম্যাটস উইফার (ব্রাইটন)।

ফরোয়ার্ড : মেমফিস ডিপাই (করিন্থিয়ান্স) কোডি হাকপো (লিভারপুল) ডনিয়েল মালেন (রোমা) ভাউট ভেগহোর্স্ট (আয়াক্স) ব্রায়ান ব্রবি (সান্ডারল্যান্ড) ক্রিসেনসিও সামারভিল (ওয়েস্ট হ্যাম) জাস্টিন ক্লাইভার্ট (বোর্নমাউথ) নোয়া লাং (গালাতাসারাই)।

‘ডার্ক হর্স’ তকমা ঝেড়ে ফেলতে চায় তুরস্ক

ক্রীড়া ডেস্ক
‘ডার্ক হর্স’ তকমা ঝেড়ে ফেলতে চায় তুরস্ক
ছবি : রয়টার্স

দীর্ঘ ২৪ বছরের অপেক্ষা ঘুচেছে। ২০০২ সালে জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপে চমক দেখিয়ে তৃতীয় হয়েছিল যে দলটি, সেই তুরস্ক দীর্ঘ বিরতির পর অবশেষে আবারও বিশ্বমঞ্চে। ফুটবলপাড়ায় প্রতি বড় টুর্নামেন্টেই তুরস্কের গায়ে সেঁটে দেওয়া হয় ‘ডার্ক হর্স’ তকমা। 

তবে ইতালিয়ান কোচ ভিনসেনজো মন্তেল্লার অধীনে এবার তারা স্রেফ কালো ঘোড়া হয়ে থাকতে রাজি নয়। কারণ তুর্কি দলে এবার আছেন আর্দা গুলের এবং কেনান ইলদিজের মতো এমন সব তরুণরা যারা একাই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ চুরমার করে দিতে পারেন। 

কোচ : ভিনসেনজো মন্তেল্লা
অধিনায়ক : হাকান চালহানওগ্লু 
বিশ্বকাপ ইতিহাস
সেরা সাফল্য : ২০০২ (তৃতীয় স্থান) 
সর্বশেষ : ২০০২ (তৃতীয় স্থান)
প্রথম : ১৯৫৪
অংশগ্রহণ : ৩ বার
ফিফা র‌্যাংকিং : ২২

‘ডি’ গ্রুপের সূচি

১৪ জুন : তুরস্ক বনাম অস্ট্রেলিয়া (ভ্যাংকুভার) সকাল ১০টা
২০ জুন : তুরস্ক বনাম প্যারাগুয়ে (সান ফ্রান্সিসকো) সকাল ৯টা
২৬ জুন : তুরস্ক বনাম যুক্তরাষ্ট্র (লস অ্যাঞ্জেলেস) সকাল ৮টা

স্কোয়াড

গোলকিপার : আলতাই বায়িন্দির, মের্ত গুনোক, উগুরকান চাকির; 

ডিফেন্ডার : আব্দুলকেরিম বারদাকচি, চাগলার সোয়ুনজু, এরেন এলমালি, ফের্দি কাদিওগ্লু, মেরিহ দেমিরাল, মের্ত মুলদুর, ওজান কাবাক, সামেত আকায়দিন, জেকি চেলিক; 

মিডফিল্ডার : হাকান চালহানওগ্লু, ইসমাইল ইয়ুকশেক, কান আয়হান, ওরকুন কোকচু, সালিহ ওজচান; 

ফরোয়ার্ড : আরদা গুলের, বারিশ আলপের ইলমাজ, চান উজুন, দেনিজ গুল, ইরফান চান কাহভেচি, কেনান ইলদিজ, কেরেম আক্তুরকোগ্লু, ওগুজ আইদিন, ইউনুস আকগুন।