• ই-পেপার

বদলি আদেশের পাঁচ মাস পরও পদে বহাল, যা বলছে মন্ত্রণালয়

জাতীয় পরিবেশ স্বর্ণপদক পাচ্ছেন নদীবন্ধু মনির

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় পরিবেশ স্বর্ণপদক পাচ্ছেন নদীবন্ধু মনির

পরিবেশ রক্ষায় মানুষকে সচেতন করার দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর স্বীকৃতি পাচ্ছেন মো. মনির হোসেন। পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচারে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পাচ্ছেন মর্যাদাপূর্ণ ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫’।

পরিবেশ নিয়ে কাজ করা, মানুষকে সচেতন করে তোলা—এ যেন তার নিত্যদিনের ব্রত। সেই একনিষ্ঠ প্রচেষ্টাই এবার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাচ্ছেন তিনি।

গত ৭ জুন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-৩ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব সাবরীনা রহমানের সই করা প্রজ্ঞাপনে চূড়ান্তভাবে মনোনীত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

‘জাতীয় পরিবেশ পদক নীতিমালা, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৯)’ অনুযায়ী ব্যক্তিগত পর্যায়ে ‘পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচার’ শ্রেণিতে স্থান পেয়েছেন মনির হোসেন। তিনি বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের (বিআরএফ) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং নদীর পরিবেশ, প্রতিবেশ ও নাব্যতা রক্ষায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

পুরস্কার হিসেবে মনির হোসেন পাবেন ২২ ক্যারেট মানের দুই তোলা ওজনের সোনার সমপরিমাণ বাজারমূল্য, ৫০ হাজার টাকার চেক, একটি সম্মানসূচক ক্রেস্ট এবং সনদপত্র।

এ ছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ শ্রেণিতে পদক পাচ্ছেন মো. হাসমত আলী। তিনি সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে আলহাজ ফরহাদ আলী মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক।

পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন শ্রেণিতে পদক পাচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আব্দুস সালাম।

উল্লেখ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ রোধ, গবেষণা এবং পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচারে যারা নীরবে কাজ করে যান, তাদের অবদানের মূল্যায়ন করতেই সরকার প্রতিবছর ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে এই সম্মানজনক পদক প্রদান করে থাকে।

ফার্মগেট থেকে বৃদ্ধ বাবা নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে জবি শিক্ষার্থীর আবেদন

জবি প্রতিনিধি
ফার্মগেট থেকে বৃদ্ধ বাবা নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে জবি শিক্ষার্থীর আবেদন
মোবারক হোসেন, ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর ফার্মগেট এলাকার পশ্চিম তেজতুরী বাজার জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে মোবারক হোসেন (৬৯) নামের এক বৃদ্ধ নিখোঁজ হয়েছেন। 

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১০টার দিকে তিনি নিখোঁজ হয়েছেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, গত তিন দিন ধরে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খুঁজেও তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

পরিবারের দাবি, বয়সজনিত কারণে মোবারক হোসেনের মস্তিষ্কে কিছু জটিলতা রয়েছে এবং তিনি চিকিৎসাধীন। তিনি নিয়মিত নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যেতেন এবং সব সময় সঙ্গে মোবাইল ফোন রাখতেন। তবে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

পরিবারের সদস্যরা আরো জানান, নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে ছিল হালকা লেমন রঙের পাঞ্জাবি ও কালো জুতা। তিনি মাঝারি উচ্চতার, স্বাস্থ্যবান গড়নের এবং মুখে সাদা দাড়ি রয়েছে এবং মুখে অল্পসংখ্যক দাঁত রয়েছে।

নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান পেলে পরিবারের সদস্য এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী তৈমুর খান মবিনের সঙ্গে ০১৭৩৮-৪৮২৩৭১ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়।

সংসদে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

দেশে নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা জনসংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশে নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা জনসংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ

দেশে বর্তমানে চারটি মোবাইল অপারেটরের বৈধ নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা জনসংখ্যার প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছেছে বলে সংসদে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে চারটি মোবাইল ফোন অপারেটর সেবা দিচ্ছে। এগুলো হলো, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি এবং বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড। এসব প্রতিষ্ঠানের বৈধ নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব তথ্য জানান মন্ত্রী।

ডাক বিভাগের আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নাগরিকদের দ্রুত ও সহজ সেবা দিতে ‘আমার ডাক’ অ্যাপভিত্তিক একটি সমন্বিত সেবা প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে পুরো ডাকসেবা কার্যক্রমকে অটোমেশনের আওতায় আনা হবে। ঢাকা শহরে ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে স্থাপন করা হবে ‘স্মার্ট পোস্ট বক্স’। একই সঙ্গে ডাক অধিদপ্তরের জন্য ‘ডাক কমার্স’ নামে একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম চালু করা হবে, যা ডাকসেবাকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপ দিতে সহায়ক হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে ডাক বিভাগের আধুনিকায়নে দুটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এগুলো হলো ‘মেইল প্রসেসিং এবং লজিস্টিক সার্ভিস টেকসই ও আধুনিকীকরণ প্রকল্প’ এবং ‘নাগরিক প্রান্তে বিদ্যমান ডাক সেবার সম্প্রসারণ ও সহজলভ্যকরণ প্রকল্প’। এসব প্রকল্পের আওতায় দেশের সব ডাকঘরে ব্যবহৃত ডোমেস্টিক মেইল মনিটরিং সফটওয়্যার উন্নত করা হবে। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ডাকপণ্যের ট্রেস অ্যান্ড ট্র্যাকিং সুবিধা সম্প্রসারণ এবং জাতীয় ডিজিটাল ঠিকানা ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করা হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের বাস্তবতায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) মাধ্যমে আগামী ৫ বছরে এক হাজার আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ও গ্র্যাজুয়েটকে ইনফরমেশন টেকনোলজি ইঞ্জিনিয়ার্স এক্সামিনেশন প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের জন্য বিশ্বের ১৩টি দেশের আইসিটি খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কর্মবাজারের চাহিদা পূরণে আরো ৫ হাজার ২০ জন চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, পাইথন প্রোগ্রামিং, ডাটা অ্যানালিটিকস এবং সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ে স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে এক বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ও পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা প্রশিক্ষণ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রযুক্তি খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করতে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ৭০০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিকে বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের উপযোগী করে তোলা হবে। একই সঙ্গে ৭০০ নারীকে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণ দিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

তিনি আরো বলেন, ডিজিটাল সেবার সম্প্রসারণ, আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গঠন এবং সরকারি সেবার অটোমেশন, এই তিনটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে সরকার কাজ করছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন দেশের তরুণদের জন্য আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে, অন্যদিকে সরকারি সেবাও দ্রুত, স্বচ্ছ ও নাগরিকবান্ধব হবে।

পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে সংস্কার কার্যক্রম চলছে : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে সংস্কার কার্যক্রম চলছে : অর্থমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

দেশীয় মূলধন সংগ্রহ বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করতে প্রাতিষ্ঠানিক ও নিয়ন্ত্রক সংস্কারের মাধ্যমে পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার (৯ জুন) সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুড়িগ্রাম-২ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আতিকুর রহমান মুজাহিদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

আরো পড়ুন
১৬ হাজার ইয়াবার চালানসহ ‘গডফাদার’ বাবু আটক

১৬ হাজার ইয়াবার চালানসহ ‘গডফাদার’ বাবু আটক

 

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘পুঁজিবাজারের উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এর কার্যকর অবদান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।’

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্বীকার করেন যে বর্তমানে দেশের পুঁজিবাজার দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। 

বাজারের বিকাশ ও সম্প্রসারণে সহায়ক বেশ কয়েকটি আর্থিক পণ্য এখনো পুরোপুরি বিকশিত হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

চলমান উদ্যোগের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, বাজার তদারকি ও কার্যকারিতা বাড়াতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পুনর্গঠন করা হয়েছে। কমিশনে অভিজ্ঞ ও দক্ষ পেশাজীবীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির সক্ষমতা আরো বৃদ্ধি পায়।

আরো পড়ুন
চবির উপ-উপাচার্য হলেন ড. সফিকুল ও আল আমীন

চবির উপ-উপাচার্য হলেন ড. সফিকুল ও আল আমীন

 

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আশা প্রকাশ করেন, শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো ও চলমান সংস্কার কার্যক্রমের ফলে আগামী দিনে পুঁজিবাজারে নতুন গতি সঞ্চার হবে এবং এর মাধ্যমে জনগণের সঞ্চয়কে উৎপাদনশীল বিনিয়োগে রূপান্তরের ক্ষেত্রে পুঁজিবাজার আরো কার্যকর ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পুঁজিবাজারকে একটি শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য অর্থায়নের উৎস হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।