• ই-পেপার

আবারও মা হচ্ছেন দীপিকা, নজর কাড়ল বেবিবাম্প

খুশকির সমস্যায় ভুগছেন? ঘরেই বানিয়ে নিন কার্যকর কিছু হেয়ার প্যাক

অনলাইন ডেস্ক
খুশকির সমস্যায় ভুগছেন? ঘরেই বানিয়ে নিন কার্যকর কিছু হেয়ার প্যাক
ছবি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

চুলে খুশকি হওয়া খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। গরমের সময়ে মাথায় ঘাম হয়ে চুলে বাজে গন্ধ হয়, সঙ্গে খুশকিও বেড়ে যায়। তবে এটি শুধু মাথার ত্বকের অস্বস্তিই বাড়ায় না, অনেক সময় আত্মবিশ্বাসেও প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে গাঢ় রঙের পোশাক পরার সময় খুশকি ঝরে পড়লে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়।  বাজারের বিভিন্ন পণ্য ব্যবহার করেও অনেকে কাঙ্ক্ষিত ফল পান না। এমন অবস্থায় ঘরোয়া কিছু উপাদান দিয়েই তৈরি করা যেতে পারে কার্যকর হেয়ার প্যাক, যা খুশকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

কলা, মধু ও লেবুর রসের প্যাক

খুশকি দূর করার জন্য কলা, মধু ও লেবুর রসের মিশ্রণ বেশ জনপ্রিয় একটি ঘরোয়া উপায়। একটি ভালোভাবে পাকা কলা চটকে তার সঙ্গে এক চামচ মধু এবং কিছুটা লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। এই মিশ্রণটি মাথার ত্বক ও চুলের গোড়ায় ভালোভাবে লাগিয়ে প্রায় ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এরপর অল্প পরিমাণ অ্যালোভেরা জেল বা রস হালকা গরম করে ঠাণ্ডা হওয়ার পর মাথার ত্বকে লাগাতে পারেন। আধা ঘণ্টা পর আবার চুল ধুয়ে নিলে মাথার ত্বক আরো সতেজ অনুভূত হতে পারে।

টক দই, অ্যালোভেরা ও নারকেল তেলের প্যাক

মাথার ত্বক আর্দ্র রাখতে এবং খুশকি কমাতে টক দই, অ্যালোভেরা ও নারকেল তেলের সংমিশ্রণ উপকারী হতে পারে। একটি পাত্রে পরিমাণমতো টক দই, অ্যালোভেরা জেল ও নারকেল তেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এরপর চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত ভালোভাবে লাগিয়ে রাখুন। প্রায় ৩০ মিনিট পর মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার এই প্যাক ব্যবহার করলে খুশকির প্রবণতা কমতে পারে এবং চুলও তুলনামূলক নরম ও স্বাস্থ্যকর দেখাতে পারে।

টমেটো ও মধুর প্যাক

টমেটোতে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করতে পারে। একটি টমেটো ব্লেন্ড করে তার সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি মাথার ত্বকে এবং চুলে ভালোভাবে লাগিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট রেখে দিন। এরপর পরিষ্কার পানি ও শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে দুবার এই প্যাক ব্যবহার করলে খুশকি কমার পাশাপাশি চুলের রুক্ষতাও কিছুটা কমতে পারে।

নিয়মিত যত্নও জরুরি

বিশেষজ্ঞদের মতে, খুশকি নিয়ন্ত্রণে শুধু হেয়ার প্যাক ব্যবহার করলেই হবে না। মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখা, পর্যাপ্ত পানি পান করা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শ্যাম্পু ব্যবহার করাও গুরুত্বপূর্ণ। যদি দীর্ঘদিন খুশকির সমস্যা থেকে যায় বা মাথার ত্বকে চুলকানি ও প্রদাহ বাড়তে থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


 

পুরুষদের কাছ থেকে উপহার পেতে অস্বস্তি লাগে আনুশকার!

বিনোদন ডেস্ক
পুরুষদের কাছ থেকে উপহার পেতে অস্বস্তি লাগে আনুশকার!
সংগৃহীত ছবি

একসময় বলিউডের অন্যতম ব্যস্ত অভিনেত্রী ছিলেন আনুশকা শর্মা। তবে বিয়ে এবং মাতৃত্বের পর অভিনয় থেকে অনেকটাই দূরে সরে গেছেন তিনি। বর্তমানে স্বামী বিরাট কোহলি ও দুই সন্তানকে নিয়ে পারিবারিক জীবনেই বেশি সময় কাটাচ্ছেন এই তারকা। 

কিন্তু ব্যক্তিজীবনের নানা দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে তিনি বরাবরই স্পষ্টভাষী। তেমনই একটি পুরনো মন্তব্য আবারও আলোচনায় এসেছে, যেখানে তিনি জানিয়েছিলেন, পুরুষদের কাছ থেকে উপহার পেলে তিনি অস্বস্তিতে পড়েন।

এক সাক্ষাৎকারে উপহার গ্রহণের বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে আনুশকা বলেছিলেন, ‘একবার এক পুরুষ বন্ধু আমাকে অনেক উপহার পাঠান। প্রথমে বিরক্ত হই। আসলে আমি এগুলো পছন্দ করি না। আমাকে কেন কেউ উপহার দেবে? এই বিষয়ে আমার অবস্থান খুব স্পষ্ট। কোনো পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে কোথাও গেলে, হয় আমি পুরো টাকা দেব, নয়তো দু’ভাগ হবে। আমি সেই উপহারটি পেয়ে প্রথমে দামটা যাচাই করি, তার পর তার থেকে বেশি দামের উপহার তাঁকে পাঠিয়ে দিই।’

তিনি আরো জানান, এই বিষয়ে ব্যতিক্রম কেবল তাঁর স্বামী বিরাট কোহলি। স্বামীর কাছ থেকে উপহার গ্রহণে তাঁর কোনো আপত্তি নেই, তবে অন্য পুরুষের কাছ থেকে উপহার নেওয়ার প্রচলন তিনি ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করেন না।

বর্তমানে বছরের বেশির ভাগ সময় লন্ডনেই থাকেন আনুশকা ও বিরাট। সন্তান জন্মের পর তিনি বড় পর্দায় খুব একটা দেখা দেন না। তবে ক্যারিয়ারের সক্রিয় সময়ে অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের স্পষ্ট অবস্থান ও প্রতিবাদী মনোভাবের জন্যও পরিচিত ছিলেন তিনি। সামাজিক অন্যায় কিংবা অসচেতন আচরণের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে কখনোই দ্বিধা করেননি এই অভিনেত্রী।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জিরো’ ছিল আনুশকা শর্মার সর্বশেষ চলচ্চিত্র। এরপর থেকে তিনি নতুন কোনো সিনেমায় অভিনয় করেননি। ফলে তিনি আবার কবে বড় পর্দায় ফিরবেন, নাকি অভিনয় থেকে দীর্ঘ বিরতিই বজায় রাখবেন—সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানাই রয়ে গেছে।

রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন কোয়েল মল্লিক?

বিনোদন ডেস্ক
রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন কোয়েল মল্লিক?
সংগৃহীত ছবি

টালিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিককে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। শোনা যাচ্ছে, তিনি রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন। এমন গুঞ্জনের মধ্যেই দিল্লিতে তার যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। 

যদিও এ বিষয়ে অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশিত হয়নি। 

গত ফেব্রুয়ারিতে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য যে প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করেছিল, সেখানে কোয়েল মল্লিকের নাম ছিল অন্যতম চমক। রাজ্য পুলিশের সাবেক ডিজি রাজীব কুমার, সাবেক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীর সঙ্গে একই তালিকায় জায়গা পান তিনি।

রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার বিষয়ে আগে কখনো আগ্রহ প্রকাশ করেননি কোয়েল। তাই তাকে রাজ্যসভার জন্য মনোনয়ন দেওয়া এবং পরে সেই দায়িত্ব গ্রহণের খবর অনেককেই বিস্মিত করেছিল। এমনকি তার ঘনিষ্ঠ মহলের কেউ কেউ তখন মন্তব্য করেছিলেন, এই প্রস্তাব গ্রহণের পেছনে অন্যদেরও ভূমিকা থাকতে পারে। বর্তমানে তার সম্ভাব্য পদত্যাগের গুঞ্জন উঠতেই সেই আলোচনাগুলো আবার সামনে এসেছে।

শপথগ্রহণের দিনে কোয়েল, সঙ্গে রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী।

এপ্রিল মাসে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর কোয়েল বলেছিলেন, ‘অনেক ভেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তা নয়। এটা তো একটা মহৎ দায়িত্ব, দেশের সেবা, মানুষের সেবা—এর থেকে তো বড় মহৎ কাজ হতে পারে না। সেই জায়গা থেকে আমি নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবতী মনে করি যে আমার নাম মনোনীত হয়েছে এবং আমি এত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায় আসতে পেরেছি।’

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পাঞ্জাবি পরিবারে বিয়ে হওয়ায় কোয়েলকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে ভবানীপুরের পাঞ্জাবি ভোটারদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দেওয়ার কৌশল নিয়েছিল তৎকালীন নেতৃত্ব। তবে পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় সেই হিসাব খুব একটা কার্যকর হয়নি বলেই অনেকে মনে করছেন।

অন্যদিকে দলের অন্দরে আরেকটি আলোচনা রয়েছে। কোয়েলের স্বামী প্রযোজনার পাশাপাশি রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত। সেই ব্যাবসায়িক স্বার্থের কারণেই তিনি কোয়েলকে রাজনৈতিক প্রস্তাব ফিরিয়ে না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে কোয়েলের ঘনিষ্ঠ এক অভিনেতা এই ধারণাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। 

তার মতে, কোয়েল কখনো অনৈতিক সিদ্ধান্ত নেননি এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে কোনো পদ গ্রহণ করার মানুষও নন।

রাজ্যসভায় মনোনীত হওয়ার পর কোয়েলের বাবা অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকও মেয়ের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছিলেন। 

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের ভাঙন এবং বিভিন্ন নেতার অবস্থান পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে কোয়েল মল্লিকের ভবিষ্যৎ নিয়েও জল্পনা বাড়ছে। তবে তার ঘনিষ্ঠদের ধারণা, তিনি কোনো বিদ্রোহী রাজনৈতিক শিবিরে যোগ না দিয়ে বরং সম্মানজনকভাবে রাজনীতি থেকে দূরত্ব বজায় রাখতেই আগ্রহী।

হঠাৎ তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজব

বিনোদন প্রতিবেদক
হঠাৎ তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজব
সংগৃহীত ছবি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টিকে নিয়ে হঠাৎই ছড়িয়ে পড়ে অসুস্থতা ও মৃত্যুর গুজব। বিষয়টি মুহূর্তেই ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করে। 

তবে এসব গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেছেন, তিনি জীবিত, সুস্থ আছেন এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বাসায় থেকেই বিশ্রাম নিচ্ছেন।

তানিয়া বৃষ্টি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। এখন বাসাতেই রয়েছি। পুরোপুরি বিশ্রামে আছি।’

তিনি জানান, চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত চিকিৎসা চলছে এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাচ্ছেন। 

এ বিষয়ে তানিয়া বলেন, ‘আমার অ্যাপয়েন্টমেন্ট ডাক্তার আছেন, সেখানে নিয়মিত চেকআপ করাতে হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই চলছি।’

অভিনেত্রীর কথায়, আগামী ২০ জুন তাঁর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা রয়েছে। বর্তমানে সেগুলোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি আগের দুটি অস্ত্রোপচারের পর আরও একটি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হবে বলেও জানান।

তানিয়া বলেন, ‘দুটি সার্জারি হয়েছে। তৃতীয় সার্জারিটা করাতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। মাথায় যেন নতুন করে কোনো জটিলতা তৈরি না হয়, সে জন্য বাসাতেই বেশি থাকি। খুব একটা বের হই না।’

এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তানিয়া বৃষ্টি। চিকিৎসকদের পরীক্ষায় তাঁর মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে। পরে ফেব্রুয়ারিতেই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা নেন।

পরবর্তীতে গত ৯ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে যান এই অভিনেত্রী। চিকিৎসা শেষে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরে আসেন এবং এরপর থেকে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামে রয়েছেন।