• ই-পেপার

৯৯ টাকায় আইস্ক্রিনে দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ

আবারও মা হচ্ছেন দীপিকা, নজর কাড়ল বেবিবাম্প

বিনোদন ডেস্ক
আবারও মা হচ্ছেন দীপিকা, নজর কাড়ল বেবিবাম্প
সংগৃহীত ছবি

দ্বিতীয় সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। কয়েক মাস আগে স্বামী রণবীর সিংয়ের সঙ্গে যৌথভাবে নতুন অতিথি আসার সুখবর জানিয়েছিলেন তিনি। সেই ঘোষণার পর এবার প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে দেখা গেল এই অভিনেত্রীকে। আর প্রকাশ্যে আসতেই ভক্তদের নজর কেড়েছে তার স্পষ্ট বেবিবাম্প।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যায় নিজেদের নতুন বাড়ির বারান্দায় একসঙ্গে দেখা যায় দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিংকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে সাদা রঙের কো-অর্ড পোশাকে দেখা যায় দীপিকাকে। পাশে ছিলেন রণবীর সিং, যিনি লাল টি-শার্ট, কালো প্যান্ট ও ক্যাপ পরে স্বাভাবিক লুকে ধরা দেন।

সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যায় নিজেদের নতুন বাড়ির বারান্দায় একসঙ্গে দেখা যায় দীপিকা ও রণবীরকে। ছবি: সংগৃহীত

ছবিগুলো প্রকাশ্যে আসার পরই ভক্তদের মধ্যে শুরু হয় নানা আলোচনা। অনেকে মন্তব্য করেন, মাতৃত্বের বিশেষ উজ্জ্বলতা দীপিকার মুখে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। কেউ লিখেছেন, ‘বেবিবাম্পটি দারুণ লাগছে।’ আবার অনেকেই তাদের পরিবারের নতুন সদস্যকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষার কথা জানিয়েছেন।

চলতি বছরের শুরুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি যৌথ পোস্টের মাধ্যমে দ্বিতীয় সন্তানের আগমনের খবর দেন দীপিকা ও রণবীর। 

সেই পোস্টে দেখা যায়, তাদের মেয়ে দুয়া একটি প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট হাতে ধরে আছে। কিটটিতে ইতিবাচক ফলাফলের দুটি গোলাপি দাগ দেখা যায়। ছবিতে দুয়ার হাত আলতো করে ধরে ছিলেন দীপিকা ও রণবীর। 

পোস্টের ক্যাপশনে কোনো বার্তা না লিখে শুধু একটি ‘ইভিল আই’ ইমোজি ব্যবহার করেছিলেন অভিনেত্রী।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ইতালিতে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জন্ম নেয় তাদের প্রথম সন্তান দুয়া। জন্মের পর কয়েক মাস মেয়েকে জনসমক্ষে আনেননি এই তারকা দম্পতি। 

পরে ২০২৫ সালের দীপাবলি উপলক্ষে প্রথমবারের মতো মেয়ের পরিচয় ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তারা। বর্তমানে দ্বিতীয় সন্তানের অপেক্ষায় থাকা এই দম্পতিকে ঘিরে ভক্তদের আগ্রহও তুঙ্গে।
 

রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন কোয়েল মল্লিক?

বিনোদন ডেস্ক
রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন কোয়েল মল্লিক?
সংগৃহীত ছবি

টালিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিককে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। শোনা যাচ্ছে, তিনি রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন। এমন গুঞ্জনের মধ্যেই দিল্লিতে তার যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। 

যদিও এ বিষয়ে অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশিত হয়নি। 

গত ফেব্রুয়ারিতে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য যে প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করেছিল, সেখানে কোয়েল মল্লিকের নাম ছিল অন্যতম চমক। রাজ্য পুলিশের সাবেক ডিজি রাজীব কুমার, সাবেক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীর সঙ্গে একই তালিকায় জায়গা পান তিনি।

রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার বিষয়ে আগে কখনো আগ্রহ প্রকাশ করেননি কোয়েল। তাই তাকে রাজ্যসভার জন্য মনোনয়ন দেওয়া এবং পরে সেই দায়িত্ব গ্রহণের খবর অনেককেই বিস্মিত করেছিল। এমনকি তার ঘনিষ্ঠ মহলের কেউ কেউ তখন মন্তব্য করেছিলেন, এই প্রস্তাব গ্রহণের পেছনে অন্যদেরও ভূমিকা থাকতে পারে। বর্তমানে তার সম্ভাব্য পদত্যাগের গুঞ্জন উঠতেই সেই আলোচনাগুলো আবার সামনে এসেছে।

শপথগ্রহণের দিনে কোয়েল, সঙ্গে রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী।

এপ্রিল মাসে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর কোয়েল বলেছিলেন, ‘অনেক ভেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তা নয়। এটা তো একটা মহৎ দায়িত্ব, দেশের সেবা, মানুষের সেবা—এর থেকে তো বড় মহৎ কাজ হতে পারে না। সেই জায়গা থেকে আমি নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবতী মনে করি যে আমার নাম মনোনীত হয়েছে এবং আমি এত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায় আসতে পেরেছি।’

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পাঞ্জাবি পরিবারে বিয়ে হওয়ায় কোয়েলকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে ভবানীপুরের পাঞ্জাবি ভোটারদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দেওয়ার কৌশল নিয়েছিল তৎকালীন নেতৃত্ব। তবে পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় সেই হিসাব খুব একটা কার্যকর হয়নি বলেই অনেকে মনে করছেন।

অন্যদিকে দলের অন্দরে আরেকটি আলোচনা রয়েছে। কোয়েলের স্বামী প্রযোজনার পাশাপাশি রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত। সেই ব্যাবসায়িক স্বার্থের কারণেই তিনি কোয়েলকে রাজনৈতিক প্রস্তাব ফিরিয়ে না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে কোয়েলের ঘনিষ্ঠ এক অভিনেতা এই ধারণাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। 

তার মতে, কোয়েল কখনো অনৈতিক সিদ্ধান্ত নেননি এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে কোনো পদ গ্রহণ করার মানুষও নন।

রাজ্যসভায় মনোনীত হওয়ার পর কোয়েলের বাবা অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকও মেয়ের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছিলেন। 

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের ভাঙন এবং বিভিন্ন নেতার অবস্থান পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে কোয়েল মল্লিকের ভবিষ্যৎ নিয়েও জল্পনা বাড়ছে। তবে তার ঘনিষ্ঠদের ধারণা, তিনি কোনো বিদ্রোহী রাজনৈতিক শিবিরে যোগ না দিয়ে বরং সম্মানজনকভাবে রাজনীতি থেকে দূরত্ব বজায় রাখতেই আগ্রহী।

হঠাৎ তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজব

বিনোদন প্রতিবেদক
হঠাৎ তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজব
সংগৃহীত ছবি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টিকে নিয়ে হঠাৎই ছড়িয়ে পড়ে অসুস্থতা ও মৃত্যুর গুজব। বিষয়টি মুহূর্তেই ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করে। 

তবে এসব গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেছেন, তিনি জীবিত, সুস্থ আছেন এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বাসায় থেকেই বিশ্রাম নিচ্ছেন।

তানিয়া বৃষ্টি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। এখন বাসাতেই রয়েছি। পুরোপুরি বিশ্রামে আছি।’

তিনি জানান, চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত চিকিৎসা চলছে এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাচ্ছেন। 

এ বিষয়ে তানিয়া বলেন, ‘আমার অ্যাপয়েন্টমেন্ট ডাক্তার আছেন, সেখানে নিয়মিত চেকআপ করাতে হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই চলছি।’

অভিনেত্রীর কথায়, আগামী ২০ জুন তাঁর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা রয়েছে। বর্তমানে সেগুলোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি আগের দুটি অস্ত্রোপচারের পর আরও একটি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হবে বলেও জানান।

তানিয়া বলেন, ‘দুটি সার্জারি হয়েছে। তৃতীয় সার্জারিটা করাতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। মাথায় যেন নতুন করে কোনো জটিলতা তৈরি না হয়, সে জন্য বাসাতেই বেশি থাকি। খুব একটা বের হই না।’

এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তানিয়া বৃষ্টি। চিকিৎসকদের পরীক্ষায় তাঁর মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে। পরে ফেব্রুয়ারিতেই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা নেন।

পরবর্তীতে গত ৯ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে যান এই অভিনেত্রী। চিকিৎসা শেষে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরে আসেন এবং এরপর থেকে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামে রয়েছেন।

সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শিল্পকলা একাডেমির বিশেষ সম্মাননা

বিনোদন প্রতিবেদক
সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শিল্পকলা একাডেমির বিশেষ সম্মাননা
সংগৃহীত ছবি

বাংলা গানের অন্যতম কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদীকে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত হবে এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান।

আগামী ১২ জুন সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মূল মিলনায়তনে ‘কালজয়ী কণ্ঠ : শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সৈয়দ আব্দুল হাদী’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বরেণ্য এই শিল্পীর হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে নিজস্ব কণ্ঠসৌন্দর্য, শিল্পনিষ্ঠা এবং অনবদ্য পরিবেশনার মাধ্যমে বাংলা সংগীতকে সমৃদ্ধ করার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই দেশের সংগীতাঙ্গনের এই জীবন্ত কিংবদন্তিকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।

সম্মাননা প্রসঙ্গে নিজের অনুভূতি জানিয়ে সৈয়দ আব্দুল হাদী গণমাধ্যমে বলেন, ‘দীর্ঘ সংগীতজীবনে ভক্ত-শ্রোতাদের এত বেশি ভালোবাসা পেয়েছি, সম্মানিত হয়েছি যে জীবনের এই পর্যায়ে এসে আর কোনো প্রাপ্তি বা সম্মাননা বিশেষভাবে পুলকিত করে না বা আনন্দিত করে না। তারপরও রাষ্ট্রীয়ভাবে আমাকে নিয়ে এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, এটা একজন শিল্পী হিসেবে অবশ্যই ভালো লাগার। আশা করছি আমাকে ঘিরে এ আয়োজন সুন্দর হবে এবং সবার কাছে উপভোগ্য হবে। যারা এই আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করবে, তাদের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভ কামনা রইল। আন্তরিক কৃতজ্ঞতা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং শিল্পকলা একাডেমির প্রতি।’

তিনি জানান, অনুষ্ঠানে তিনি নিজে গান পরিবেশন করবেন না। তবে তার কণ্ঠে অমর হয়ে থাকা জনপ্রিয় গানগুলো পরিবেশন করবেন এই প্রজন্মের শিল্পী রাশেদ, আতিক, অপু আমান, কোনাল, অনন্যা ও সুস্মিতাসহ আরো অনেকে। এ জছাড়া অনুষ্ঠানে তার জীবন ও সংগীতযাত্রা নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শনের পাশাপাশি থাকবে আলোচনা পর্ব।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় দেশের আরেক কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীনকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছিল। ওই আয়োজনে তার সংগীতজীবন নিয়ে আলোচনা এবং তার জনপ্রিয় গানগুলোর বিশেষ পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য সৈয়দ আব্দুল হাদী পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা গায়কের স্বীকৃতি পেয়েছেন। ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ (১৯৭৮), ‘সুন্দরী’ (১৯৭৯), ‘কসাই’ (১৯৮০), ‘গরিবের বউ’ (১৯৯০) এবং ‘ক্ষমা’ (১৯৯২) চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের জন্য তিনি এই সম্মান অর্জন করেন।

তার কণ্ঠে গাওয়া অসংখ্য জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘আছেন আমার মুক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার’, ‘আমি তোমারি প্রেম ভিখারি’, ‘চোক্ষের নজর এমনি কইরা’, ‘যেও না সাথি’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো’, ‘সূর্যোদয়ে তুমি’ এবং ‘তেল গেলে ফুরাইয়া’। এসব গান আজও বাংলা সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে সমানভাবে জনপ্রিয়।