• ই-পেপার

বগুড়ায় জুলাইযোদ্ধা মুনীর হত্যা মামলায় আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার

হাইকোর্টে জামিনের পর জেলগেট থেকে আবারও গ্রেপ্তার

মাগুরা প্রতিনিধ
হাইকোর্টে জামিনের পর জেলগেট থেকে আবারও গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক, মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সাবেক এজিএস, পৌরসভার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর শহিদুল ইসলাম বাবু মীর (৫২) হাইকোর্ট থেকে জামিন লাভের পর আবারও গ্রেপ্তার হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) মাগুরা জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বের হওয়ার সময় জেলগেট থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে মাগুরা সদর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ৫ আগস্ট-পরবর্তী একটি মামলায় বাবু মীরকে আবারও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে কোন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

আক্কেলপুরে ১ দিনে ৩ মরদেহ উদ্ধার

আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
আক্কেলপুরে ১ দিনে ৩ মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে এক দিনেই দুই নারী, এক পুরুষসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) উপজেলার পৃথক তিন জায়গা থেকে সাড়ে ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন আক্কেলপুর পৌর এলাকার খামার কেশবপুর গ্রামের উত্তম চৌধুরীর স্ত্রী গৃহবধূ শ্রীমতী সাবিত্রী চৌধুরী (২৫), উপজেলার রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের আওয়ালগাড়ী বড় মসজিদ এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী বৃদ্ধা বুলি বেওয়া (৭৬) এবং রায়কালী ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের কমল চন্দ্র বর্মণের ছেলে ডেকরেটর শ্রমিক শিপন চন্দ্র বর্মণ (২৯)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার মধ্যে সাড়ে ছয় ঘণ্টার মধ্যে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

নিহতদের পরিবারের সদস্যদের দাবি, তারা আত্মহত্যা করেছেন। এর মধ্যে শ্রীমতী সাবিত্রী চৌধুরী গলায় ফাঁস দিয়েছেন এবং বৃদ্ধা বুলি আক্তার ও শিপন চন্দ্র বর্মণ গ্যাস ট্যাবলেট খেয়েছেন।

আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন রেজা জানান, উপজেলার পৃথক তিনটি স্থান থেকে দুই নারী ও এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। এ ঘটনায় থানায় তিনটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

ভাত দিতে দেরি হওয়ায় ছেলের শাবলের আঘাতে প্রাণ গেল মায়ের

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
ভাত দিতে দেরি হওয়ায় ছেলের শাবলের আঘাতে প্রাণ গেল মায়ের
ছবি : কালের কণ্ঠ

নেত্রকোনা সদর উপজেলায় ছেলের শাবলের আঘাতে মায়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে শ্যামল রাজভরকে (২৪) আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত নারীর নাম আবুনি রাজভর ওরফে রুকশি (৫০)। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা এবং শ্যামলাল রাজভরের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চল্লিশা ইউনিয়ন পরিষদের বিপরীত পাশে মগরা নদীর তীরে একটি টিনশেড ঘরে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন আবুনি রাজভর। তার ছেলে শ্যামল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। 

মঙ্গলবার বিকেলে শ্যামল মায়ের কাছে খাবার চান। তবে ভাত দিতে কিছুটা সময় লাগবে বলে তাকে অপেক্ষা করতে বলেন মা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরে থাকা একটি লোহার শাবল দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন শ্যামল। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আবুনি রাজভরের।

ঘটনার পর অভিযুক্ত শ্যামল ঘর থেকে বের হয়ে ইউনিয়ন পরিষদের পাশের একটি দোকানে চা পান করতে যান। এ সময় তার শরীরে রক্তের দাগ দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা ঘরে গিয়ে আবুনি রাজভরের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। এ ঘটনায় শ্যামলকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে স্থানীয়রা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নেত্রকোনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার বলেন, ‘অভিযুক্ত যুবক মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’ 

রংপুর আদালত চত্বরে আইনজীবীদের মারধর, দুই মুহুরী গ্রেপ্তার

রংপুর অফিস
রংপুর আদালত চত্বরে আইনজীবীদের মারধর, দুই মুহুরী গ্রেপ্তার
প্রতীকী ছবি

রংপুর আদালত চত্বরে মুহুরীদের বিরোধ সমঝোতা করতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন আইনজীবী সমিতির সভাপতিসহ দুই আইনজীবী। এ ঘটনায় দুই মুহুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে রংপুর মহানগরীর আদালত চত্বরে এ ঘটনা হয়। 

গ্রেপ্তার মুহুরীরা হলেন নগরীর নিউ আদর্শপাড়ার মৃত আছির উদ্দিনের ছেলে মো. আতিয়ার রহমান (৬৪) এবং একই এলাকার আতিয়ার রহমানের ছেলে জুবাদুর রহমান জাবেদ (২৯)। তারা বাবা-ছেলে। 

ভুক্তভোগী রংপুর বারের প্রবীণ আইনজীবী হারুন অর রশিদ ও শাহেদ কামাল ইবনে খতিব। এদিকে ওই ঘটনায় আইনজীবী সমিতির কার্যকরী সদস্য অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন।

আরো পড়ুন
নারায়ণগঞ্জে ট্রাকচাপায় ছাত্রদল ও যুবদল নেতার মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জে ট্রাকচাপায় ছাত্রদল ও যুবদল নেতার মৃত্যু

 

রংপুর আইনজীবী সমিতির সভাপতি শাহেদ কামাল ইবনে খতিব জানান, তাকেসহ এক প্রবীণ আইনজীবীকে যেভাবে মারধর ও হেনস্তা করা হয়েছে। তার উপযুক্ত বিচার হতে হবে। তিনি বলেন, আমরা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে মামলা করেছি। 

রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল কাদির বলেন, সন্ধ্যা ৭টার দিকে আইনজীবী সমিতির এক নেতা হত্যাচেষ্টা মামলা করেছেন। আমরা তাকে আটক করে থানায় এনেছি। তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।