• ই-পেপার

পদ্মার চরে যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারে বাসার গ্রিল কেটে মা-মেয়েকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, আটক ৬

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
কক্সবাজারে বাসার গ্রিল কেটে মা-মেয়েকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, আটক ৬
সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে মা ও কিশোরী মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২০ লাখ টাকার মালপত্র লুট করে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। 

সোমবার (৮ জুন) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের দৌলনীঘোনাস্থ সিকদারপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এরই মাঝে ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটকরা হলেন রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন (২৩), কেফায়েত হোসেন (২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), মেহেদী হাসান (২৪) ও মোহাম্মদ তারেক (২৬)। তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

স্থানীয় সূত্র জানায়, ডাকাতির উদ্দেশ্যে সোমবার রাতে জানালার গ্রিল কেটে ওই বাড়িতে হামলা চালায় অভিযুক্তরা। ওই সময় বাড়ির গৃহিণী (৪০) ও তার মেয়েকে (১৫) সংঘবদ্ধ ঘর্ষণের অভিযোগ উঠে। পরে বাড়ির আলমিরা ভেঙে ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে যায় তারা।

ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর ছোট ভাই কালের কণ্ঠকে জানান, ডাকাতরা চলে যাওয়ার পরপরই বোনের বাড়ি থেকে কল পান তিনি। বিষয়টি তাকে অবগত করলে সেখানে ছুটে যান তারা। পরে বোন ও বোনের মেয়েকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভুক্তভোগী নারী বলেন, ‘আমার এই পরিণত বয়সে এমন লোমহর্ষক ঘটনার কথা আগে কখনো শুনিনি বা দেখিনি। সশস্ত্র ডাকাতেরা আমার মেয়ে ও কিশোরী নাততির ওপর যে পাশবিকতা চালিয়েছে তা বলার ভাষা নেই। আমি তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।’

এদিকে ওই রাতেই একই ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের প্রবাসী নুরুল আবছারের বাড়িতেও ডাকাতির ঘটনা ঘটে।  

এ বিষয়ে জানতে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের চকরিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) অভিজিত দাস কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাৎক্ষণিক সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজন মা ও মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত রয়েছে বলে শনাক্ত করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে চকরিয়া, মাতামুহুরী উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, যুবক গ্রেপ্তার

বাগেরহাট প্রতিনিধি
জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, যুবক গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে মো. গোলাম রসুল ওরফে রফিকুল (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ জুন) দিবাগত রাতে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বাধাল বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রফিকুল কচুয়া উপজেলার গোপালপুর গ্রামের জাহিদ শেখের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, গোলাম রসুল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর গোলাম রসুল তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দেন। বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে তদন্ত করা হয়। তদন্তে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওসি আরো বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেছে। গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার সকালে রফিকুলকে বাগেরহাট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বগুড়ায় জুলাইযোদ্ধা মুনীর হত্যা মামলায় আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার

বগুড়া অফিস
বগুড়ায় জুলাইযোদ্ধা মুনীর হত্যা মামলায় আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত মুনির হত্যা মামলায় তালোড়া পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের রানাকে (৪৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোর রাতে উপজেলার তালোড়া বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রানা তালোড়া পৌর এলাকার স্বর্গপুর মহল্লার জাফর আলী মন্ডলের ছেলে।

দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাজমিলুর রহমান জানান, আবু তাহের রানাকে জুলাইযোদ্ধা মুনির হত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
 

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মৌলভীবাজারে প্রস্তুতি

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মৌলভীবাজারে প্রস্তুতি
মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেলের নেতৃত্বে ভেন্যু পরিদর্শন করছেন বিএনপি নেতারা।

আগামী ১৭ জুন মৌলভীবাজার সফরে এসে তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। মঙ্গলবার (৯ জুন) মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেলের নেতৃত্বে বিএনপির নেতারা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির সম্ভাব্য ভেন্যু পরিদর্শন করেন।  

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূন, সদস্যসচিব মোহাম্মদ আব্দুর রহিম রিপন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য  মো. আব্দুল মুকিতসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিএনপির অন্য নেতৃবৃন্দ।

জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল জানান, প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে সম্ভাব্য ভেন্যুগুলো পরিদর্শন করা হচ্ছে। মঙ্গলবার সকালে শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও মির্জাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করা হয়। পরে দুপুরে রাজনগর উপজেলা চত্বর এবং রাজনগর ডিগ্রি কলেজ মাঠ ঘুরে দেখা হয়।

তিনি বলেন, ‘আগামী ১৭ জুন প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা ও শ্রীমঙ্গলের মির্জাপুর ইউনিয়নে তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করতে পারেন। সেই লক্ষ্যে সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন করা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ভেন্যু নির্বাচন এখনো চূড়ান্ত হয়নি। স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শনের পর নিরাপত্তা ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’

সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে প্রস্তুতি কার্যক্রম আরো জোরদার হবে।