• ই-পেপার

ধুনট

ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় সেতুর কাজ বন্ধ

  • পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলাচল
  • যে কোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা
  • দ্রুত সংকট নিরসনের দাবি

কর্মস্থল নেত্রকোনায়, কর্মকর্তা থাকেন ঢাকায়

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, নেত্রকোনা
কর্মস্থল নেত্রকোনায়, কর্মকর্তা থাকেন ঢাকায়
নেত্রকোনার আটপাড়া ও কেন্দুয়া উপজেলার নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন।

নেত্রকোনার আটপাড়া ও কেন্দুয়া উপজেলার দায়িত্বে থাকা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন বসবাস করেন ঢাকার সাভারে নিজ বাড়িতে। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এতে দুই উপজেলায় চলমান গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য কার্যক্রম ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। 

সংশ্লিষ্ট কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ইমরান হোসেনের মূল পোস্টিং নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলায়। পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে পার্শ্ববর্তী কেন্দুয়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. ইমরান হোসেনের কর্মস্থল কেন্দুয়া ও আটপাড়া উপজেলা হলেও তিনি ঢাকার সাভারে বসবাস করেন। মাঝেমধ্যে সাভার থেকে এসে আটপাড়া উপজেলা ডাকবাংলোতে অস্থায়ীভাবে অবস্থান করে দায়িত্ব পালন করেন। পরে আবার ঢাকায় ফিরে যান।

অভিযোগ রয়েছে, ঈদুল আজহার সরকারি ছুটি শুরুর আগেই গত ২৩ মে অফিসের কাজ শেষে তিনি সাভারে চলে যান। অথচ সরকারি ছুটি শুরু হয়েছিল ২৬ মে থেকে। ফলে ছুটি শুরুর আগের তিন কর্মদিবস তিনি অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। এছাড়া ঈদের ছুটি শেষে ১ জুন সরকারি অফিস খোলার পরও তিনি পুরো সপ্তাহ কর্মস্থলে উপস্থিত হননি। পরবর্তী সপ্তাহে ৭ জুন অফিসে ফেরেন বলে জানা গেছে।

এদিকে গত ১৩ মে থেকে আটপাড়া ও কেন্দুয়া উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারের ভর্তুকিমূল্যের ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দুই উপজেলায় প্রতিদিন ওএমএসের মাধ্যমে প্রায় ২ টন চাল ও ২ টন আটা বিক্রি করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমও চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ওএমএসের চাল উত্তোলনের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) এবং ধান-চাল সংগ্রহ সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিতে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। অভিযোগ রয়েছে, কর্মকর্তার অনুপস্থিতির সুযোগে অনেক ক্ষেত্রে নিয়মিত তদারকি হয়নি এবং ওএমএসের চাল বিতরণ নিয়ে অনিয়মের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমনকি অনেক পয়েন্টে চাল ও আটা বিতরণ না করে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

আটপাড়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের উপ খাদ্য পরিদর্শক শরীফা আক্তার প্রথমে কর্মকর্তার অনুপস্থিতির বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে বলেন, ‘স্যার (ইমরান হোসেন) ঈদের পরের সপ্তাহে অসুস্থতার কারণে ছুটিতে ছিলেন। তাই অফিসে আসেননি। ৬ জুন কেন্দুয়ায় চাল সংক্রান্ত একটি সমস্যা দেখা দিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ফোন পেয়ে তিনি ওই রাতেই চলে আসেন। স্যার ঢাকায় থাকেন। এখানে এসে ডাকবাংলোতে অবস্থান করে দায়িত্ব পালন করেন। পরে বৃহস্পতিবার চলে যান এবং শনিবার রাতে আবার আসেন।’

কেন্দুয়া খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ঢাকায় বসবাস করে নিয়মিতভাবে আটপাড়া ও কেন্দুয়ার দায়িত্ব পালন করা বাস্তবে কঠিন। ফলে অনেক সময় অফিসে পাওয়া যায় না। কিছু ক্ষেত্রে চালের ডিও পরে এসে একসঙ্গে স্বাক্ষর করেন তিনি। এতে অনিয়মের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।’

তারা আরো বলেন, ‘খাদ্য বিভাগের মতো জনসেবামূলক গুরুত্বপূর্ণ খাতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত না হলে সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।’

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. ইমরান হোসেন বলেন, ‘ঈদের আগে দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি গিয়েছি। ঈদের পরের সপ্তাহেও এসেছিলাম দুই-একদিন ডিউটি করে চলে গেছি। আমি অসুস্থ্য তাই একটু সমস্যা হয়েছে। আরো কিছু জানতে হলে সরাসরি বলব। তারপর ফোনের সংযোগ কেটে দেন। পরে পরিচিত লোকজনকে দিয়ে এ বিষয়ে সংবাদ না প্রকাশ করার জন্য তদবির করেন তিনি। ভালো কোথায়ও পোস্টিও দেওয়া হবে ঊর্ধ্বতনদের এমন আশ্বাসে ইমরান হোসেন এখানে কোনরকম দিনপার করছেন বলেও তদবিরকারীরা জানায়।

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে খাদ্য বিভাগের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।

বিষয়টি অবহিত করলে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছেমুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আপনার কাছ থেকেই প্রথম জানলাম। আমাকে ওই কর্মকর্তা কিছুই জানায়নি। খোঁজ নিয়ে সত্যতা পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উল্লেখ্য, গত ৬ জুন কেন্দুয়া উপজেলার টেঙ্গুরি এলাকায় একটি পরিত্যক্ত অটোরাইস মিলে বিপুল পরিমাণ অবৈধভাবে মজুদ চাল পওয়া যায়। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এরআগে গত ১৪ মে রাতে জেলার মদন উপজেলায় ২০ টন চালবোঝাই ট্রাক জব্দ করে প্রশাসন। পরে খাদ্য অধিদপ্তরের তদন্তে গুদামে আরও প্রায় ৪৪ টন চাল অতিরিক্ত মজুদ পওয়া যায়। এসব ঘটনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দুলাল মিয়া ও গুদাম কর্মকর্তা মাহমুদুল আলমকে বরগুনা জেলায় বদলি করা হয়। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছেমুর রহমানের প্রশ্রয়ে এমন অনিয়ম ও দুর্নীতি চলমান রয়েছে।

কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নারীদের সচেতনতার প্রতি গুরুত্বারোপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নারীদের সচেতনতার প্রতি গুরুত্বারোপ
ছবি : কালের কণ্ঠ

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলার পাশাপাশি কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নারীদের সচেতনতার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা। তারা বলেছেন, নারীরা সচেতন হলে পরিবেশ সংরক্ষণে ও দুর্যোগের বিপর্যয় এড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই নারী ও তরুণ প্রজন্মকে সচেতন করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিতে হবে।
 
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বাগেরহাটের রামপাল পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তারা। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা একশনএইডের সহযোগিতায় ‘ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ফার্মিং-মার্কেট এক্সেস ফর উইমেন প্রকল্পর আওতায় উন্নয়ন সংস্থা ইনিশিয়েটিভ ফর রাইট ভিউ (আইআরভি) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এ উপলক্ষে র‌্যালি, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠিত হয়।

আরো পড়ুন
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ১৬ জুন শুনানি

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ১৬ জুন শুনানি

 

অনুষ্ঠানে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না ফেরদৌসী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে উপকূলীয় এলাকার মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এ ধরনের উদ্যোগ সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহিনুর রহমান বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে আমাদের সকলকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। প্রতিটি পরিবারকে নিজ নিজ বাড়িতে অন্তত কয়েকটি করে গাছ রোপণের উদ্যোগ নিতে হবে।

আইআরভি’র প্রকল্প সমন্বয়কারী সৌরভ ভদ্রের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শামীমা আরা খানমসহ অন্যান্য শিক্ষক, অবিভাবক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় বিদ্যালয়ে এসে শেষ হয়। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি অর্জুন গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় শতাধিক নারী শিক্ষার্থীর মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও ভেষজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ২০ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ‘নারীর হাতে সহনশীল কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা’ বিষয়ক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিচারকমণ্ডলীর মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী তিনজন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার হিসেবে বই তুলে দেওয়া হয়।

চট্টগ্রামের ধর্ষণ মামলার আসামি কাপ্তাই থেকে গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামের ধর্ষণ মামলার আসামি কাপ্তাই থেকে গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানায় করা একটি ধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি দেলোয়ার মালকে (৫৫) রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৭। গ্রেপ্তার ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আমেনাবাদ এলাকার মৃত আব্দুল ওহাব মালের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, কোতোয়ালি থানার একটি ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি দেলোয়ার রাঙামাটির কাপ্তাই এলাকায় অবস্থান করছেন। সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যায় কাপ্তাই থানার নতুন বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরো জানান, মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সিএমপির কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উখিয়ায় সাড়ে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
উখিয়ায় সাড়ে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের উখিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন ৫ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোররাতে এসব মাদক উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়নের পালংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী গুজ্জা খাল লক্ষ্মণের ঘের এলাকায় অবস্থান নেয়। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে মায়ানমার থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে থাকা পাঁচজন ব্যক্তিকে দেখতে পেয়ে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন।

এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ব্যক্তিরা তাদের বহন করা পাঁচটি প্যাকেট ফেলে দ্রুত মায়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে প্যাকেটগুলোর ভেতর থেকে খাকি রঙের মোড়কে রাখা মোট ৫৫ কাট বা ৫ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি জানায়, উদ্ধার অভিযানের পর আশপাশের এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হলেও অন্য কোনো অবৈধ পণ্য পাওয়া যায়নি।

উখিয়া ৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, মাদক চোরাকারবারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি আরো জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরো বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রোধে বিজিবির নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের ফলে একের পর এক সফল অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার বিষয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।’