• ই-পেপার

বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিষয় বাতিলের খবর ভিত্তিহীন : শিক্ষামন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে খুবিতে বৃক্ষরোপণ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে খুবিতে বৃক্ষরোপণ
ছবি : কালের কণ্ঠ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা বাস্তবায়নে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আওতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদম্য বাংলা প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্ধোধন করা হয়। 

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। এখানে প্রচুর দর্শক আসে। যেহেতু খুলনায় তেমন বিনোদনকেন্দ্র নেই। এ বিষয়টি বিবেচনা করে আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি।’

রেজাউল করিম বলেন, ‘ভবিষ্যতে এই ক্যাম্পাস সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন হবে। সেই সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের কথা মাথায় নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে পরামর্শ করে আমরা এই গাছগুলো লাগানোর চেষ্টা করেছি। আশা করি, সরকারের লক্ষ্য আমরা বাস্তবায়ন করতে পারব।’ 

আরো পড়ুন
খানজাহানের মাজারে ‘রহস্যময়’ গুহা, উন্মোচিত হতে পারে অজানা ইতিহাস

খানজাহানের মাজারে ‘রহস্যময়’ গুহা, উন্মোচিত হতে পারে অজানা ইতিহাস

 

তিনি আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের সার্বিক উন্নয়নে প্রচুর গাছ লাগিয়েছেন। দেশনেত্রী খালেদা জিয়াও অনেক গাছ লাগিয়েছেন। বর্তমান সরকার ঘোষণা দিয়েছে যে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগাবে। আমরা তার এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে বেশ কিছু গাছ লাগিয়েছি।’

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নূরুন্নবী, ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত, দ্যা অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আশিক উর রহমান, খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শরিফ মোহাম্মদ খান, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ শারাফাত আলীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলিম পরীক্ষায় সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
আলিম পরীক্ষায় সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড আসন্ন আলিম পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে গ্রহণের লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে। সোমবার (৮ জুন) মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. ফারুক আহম্মেদের স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। 

এতে জানানো হয়েছে, পরীক্ষার হলসহ কেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিটি পরীক্ষাকক্ষ, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কক্ষ, অফিসকক্ষ এবং বিশেষ করে যে কক্ষে প্রশ্নপত্র খোলা হবে, সেই কক্ষটিকে অবশ্যই সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত করতে হবে।

এতে আরো বলা হয়, যেসব কেন্দ্রে এখনো সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়নি, তাদের আগামী ২০ জুনের মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বোর্ডের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সিসিটিভি ক্যামেরার প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এন্ট্রি ও সংরক্ষণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ জন্য কেন্দ্র প্রধানদের বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.ebmeb.gov.bd) প্রবেশ করে Alim >>>> eCIS >>>> 2026 সিলেক্ট করতে হবে। এরপর ‘Continue’ বাটনে ক্লিক করে সেন্টার কোড ও নির্ধারিত পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে ‘বিভিন্ন এন্ট্রি’ অপশন থেকে ‘কেন্দ্রের তথ্য’ সিলেক্ট করে সিসিটিভি সংক্রান্ত তথ্যগুলো সেভ করতে বলা হয়েছে। 

একই সঙ্গে পরীক্ষা সংক্রান্ত কড়াকড়ি আরো বাড়াতে ট্রেজারি থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ট্রেজারি থেকে যে সব শিক্ষক, ট্যাগ অফিসার বা কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রশ্নপত্র গ্রহণ করবেন, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত পত্রে তাদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর বোর্ডের নির্ধারিত ই-মেইলে ([email protected]) পাঠাতে হবে।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, পরীক্ষার সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরীক্ষার সব ভিডিও ফুটেজ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কর্তৃপক্ষকে সেই ফুটেজ সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবেন। 

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন কোর্স বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’ : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

অনলাইন ডেস্ক
অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন কোর্স বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’ : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

অনার্স কোর্স থেকে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিষয় তুলে দেওয়া হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন দাবিকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত কর্মকর্তা নূরুল আফসার দীপু এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বা বিষয় বাতিলের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, উচ্চশিক্ষা সংস্কার এবং শিক্ষাক্রম পর্যালোচনার বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। তবে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শনের মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে অনার্স শিক্ষা বন্ধ করার কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকার নেয়নি।

নূরুল আফসার দীপু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এ গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সরকারের আনুষ্ঠানিক সূত্র থেকে তথ্য নেওয়ার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ২০২৭ সালের শিক্ষাবর্ষের জন্য নতুন শিক্ষাক্রম সংস্কার এবং কয়েকটি নতুন বিষয় যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। তবে ওই সংস্কার পরিকল্পনার কোথাও অনার্স পর্যায়ে বাংলা, ইতিহাস বা দর্শন বিষয় বাতিলের কোনো ঘোষণা বা প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। 

শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া বাড়ছে, জুলাই থেকে কার্যকর

অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া বাড়ছে, জুলাই থেকে কার্যকর

শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া জুলাই থেকেই ১৫ শতাংশ হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সাড়ে ৭ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। আগামী জুলাই থেকে দ্বিতীয় ধাপে ৭ শতাংশ বৃদ্ধি করে তা ১৫ শতাংশ করা হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেলের প্রোগ্রামার মো. জহির উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, 'সরকারের পূর্বের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ বছরের জুলাই থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ১৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া পাবেন।'

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আসন্ন জুলাই থেকেই শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হওয়ার কথা। বিষয়টি নিয়ে বাজেট শাখা থেকে চিঠি জারির কথা। 

গত বছরের ২১ অক্টোবর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি করতে সম্মতি দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়।

ওইদিন মন্ত্রণালয়ের জারি করা সম্মতিপত্রে বলা হয়, সরকারের বিদ্যমান বাজেটের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা নিম্নোক্ত শর্তাদি পরিপালন সাপেক্ষে ১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ হতে মূল বেতনের ৭.৫ শতাংশ হারে (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) এবং ১ জুলাই ২০২৬ তারিখ হতে উক্ত ৭.৫ শতাংশের অতিরিক্ত আরো ৭.৫ শতাংশ অর্থাৎ মূল বেতনের সর্বমোট ১৫ শতাংশ হারে (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) নির্ধারণ করা হলো।