• ই-পেপার

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ১৬ জুন শুনানি

ক্রিকেটার নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে ব্যভিচার মামলার রায় বুধবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
ক্রিকেটার নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে ব্যভিচার মামলার রায় বুধবার
ফাইল ছবি

ডিভোর্স (বিবাহবিচ্ছেদ) না দিয়ে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার জন্য বুধবার (১০ জুন) দিন ধার্য রয়েছে।

ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই রায় ঘোষণা করবেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আশুতোষ ভৌমিক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ১১টার দিকে এই রায় ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ৬ মে বাদী ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য এই তারিখ নির্ধারণ করেন।

ওই দিন আদালতে বাদী রাকিব হাসানের পক্ষে আইনজীবী ইসরাত হাসান এবং ক্রিকেটার নাসিরের পক্ষে আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু ও তামিমার পক্ষে আইনজীবী মোসলেহ উদ্দিন জসীম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। শুনানিতে বাদীপক্ষ আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের নির্দোষ দাবি করে খালাসের প্রার্থনা করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা সুলতানা ও রাকিব হাসানের বিয়ে হয়। তাদের একটি আট বছর বয়সী কন্যাসন্তানও রয়েছে। তামিমা পেশায় একজন কেবিন ক্রু। ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্রপত্রিকার মাধ্যমে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত হন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান থাকা অবস্থাতেই তামিমা নাসিরকে বিয়ে করেছেন, যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। নাসির তামিমাকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন। তামিমা ও নাসিরের এমন অনৈতিক সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার আট বছরের মেয়ে মারাত্মকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়েছেন এবং রাকিবের চরম মানহানি হয়েছে।

দণ্ডবিধির ৪৯৭ (ব্যভিচার), ৫০০ (মানহানি) এবং ৩৪ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। মামলায় আগের বিয়ে গোপন রেখে অন্যত্র বিয়ে করা, অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচার ও মানহানির অভিযোগ আনা হয়।

২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে পিবিআইয়ের (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) পরিদর্শক শেখ মো. মিজানুর রহমান নাসির, তামিমাসহ তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রতিবেদন জমা দেন। ২০২২ সালের ২৪ জানুয়ারি আদালত নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর আদেশ দেন। তবে মামলার অপর আসামি তামিমার মা সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এই মামলায় আদালত মোট ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন।

প্রতারণা মামলায় নায়িকা রুবিনা নিঝুমের স্বামীর বিরুদ্ধে সমন জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রতারণা মামলায় নায়িকা রুবিনা নিঝুমের স্বামীর বিরুদ্ধে সমন জারি

সাড়ে চার লাখ টাকা চেক ডিজঅনারের অভিযোগে চিত্রনায়িকা রুবিনা আক্তার নিঝুমের স্বামী মামূনুর রশীদ রাহুলের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে সমন জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালতে মোছা. সুরভী বেগম নামের একজন মামলা করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে ফয়সাল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আসামিকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন।

তিনি বলেন, এর আগে রুবিনা নিঝুম, তার স্বামী রাহুল, শাশুড়ি মহিমা বিবি ও দেবর নান্নু মিঞার বিরুদ্ধে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। এ ছাড়া চেক ডিজঅনারের আরেক মামলায় চার আসামিকে আদালতে হতে সমন জারি রয়েছে। আজকে তৃতীয় মামলায় রাহুলকে একমাত্র আসামি করা হয়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আরো বলেন, রুবিনা নিঝুম ও তার স্বামী টাকা আত্মসাৎ করে কাতার পালিয়ে গেছেন বলে জেনেছি। তারা কাতার থেকে লাইভে এসে এ কথা জানিয়েছেন।

মামলায় অভিযোগ অনুযায়ী, রাহুল ব্যবসা সম্প্রসারণের কথা বলে সুরভীর কাছে সাড়ে চার লাখ টাকা ধার চান। পূর্বপরিচিত হওয়ায় বাদী তাকে টাকা ধার দেন। গেল ১০ মার্চ টাকার বিপরীতে রাহুল তার বোনের মাধ্যমে সুরভীকে সাড়ে ৪ লাখ টাকার একটি চেক দেন। সুরভী চেকটি নগদায়নের জন্য জমা দিলে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তা ডিজঅনার হয়। গত ২০ মার্চ সুরভী রাহুলকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠালে তিনি টাকা পরিশোধে কোনো উদ্যোগ নেননি। চেক ডিজঅনারের বিষয়ে তাকে অবগত করলে টাকা ফেরত দেবে বলে জানায়। তবে টাকা ফেরত দেয়নি।

এর আগেও প্রতারণা করে সাড়ে ১২ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ২৯ জানুয়ারি নায়িকা রুবিনা নিঝুম, তার স্বামী, শাশুড়ি ও দেবরের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন সুরভী বেগম। আদালত আসামিদের ১৯ ফেব্রুয়ারি হাজির হতে সমন জারি করেন। তবে ওই দিন তারা হাজির না হওয়ায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এরপর এই চার আসামির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের একটি মামলা করা হয়। আজ রাহুলের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করা হলো।

উচ্চ আদালতে রামিসার হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স নথি

নিজস্ব প্রতিবেদক
উচ্চ আদালতে রামিসার হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স নথি
ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা আলোচিত মামলার ডেথ রেফারেন্স নথি উচ্চ আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, মামলাটির ৬৯ পৃষ্ঠার রায় এবং ৩ পৃষ্ঠার ডেথ রেফারেন্সসহ মোট ৭২ পৃষ্ঠার নথি লাল কাপড়ে মোড়ানো ডেথ রেফারেন্স উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ সময় সংশ্লিষ্ট আদালতের অফিস সহায়ক শহীদুল ইসলামকে লাল কাপড়ে মোড়ানো ডেথ রেফারেন্স নিয়ে যেতে দেখা যায়।

এর আগে গত ৭ জুন রবিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আলোচিত এ মামলাটির রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান অভিযুক্ত আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন একই আদালত। এরপর আসামি সোহেল ও স্বপ্নাকে কনডেম সেলে নেওয়া হয়েছে। দেশের ইতিহাসে প্রথম মাত্র ৪ কার্যদিবসে বিচারকার্য শেষ এবং ৫ দিনের মাথায়  মামলাটিতে রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী শিশু রামিসা আক্তার (৮) পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে তার ফ্ল্যাটের রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকলে একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে তার জুতা দেখতে পান।

ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসা আক্তারের (৮) মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। আসামি স্বপ্না আক্তারকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তার স্বামী আসামি মো. সোহেল রানা (৩০) হীন কামনা চরিতার্থ করার জন্য রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় ১৯ মে শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুইজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা করেন।

আরো পড়ুন
রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন কোয়েল মল্লিক?

রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন কোয়েল মল্লিক?

 

মামলার দায়েরের প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ২০ মে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একইদিন আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তারা কারাগারে আটক রয়েছে। 

গত ২৪ মো আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। এরপর চার্জশিটটি আমলে গ্রহণ করে বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। একইদিন ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে নিয়ে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১ জুন দিন ধার্য করেন।

গত ১ জুন ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরদিন ২ জুন একদিনে বাবা, মা, বোন, প্রত্যক্ষদর্শী, সুরতহাল রিপোর্টের সাক্ষি,  ডাক্তার, ম্যাজিষ্ট্রেট, ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করেন।

৩ জুন আসামিরা আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পান। প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন, তবে তার স্ত্রী স্বপ্না নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

৪ জুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি গ্রহণ করা হয়। আসামিপক্ষ আসামিদের ফাঁসি ও আসামিপক্ষ আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রার্থনা করেন।

আরো পড়ুন
কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে শুরু করে সব ব্যাংকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হচ্ছে: জামায়াত আমির

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে শুরু করে সব ব্যাংকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হচ্ছে: জামায়াত আমির

 

৭ জুন বিচারিক কার্যক্রমের সমস্ত আইনি ধাপ দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার পর, চাঞ্চল্যকর ও জঘন্যতম এই হত্যার বিচার ৪ দিনে শেষ করে মাত্র ১৯ দিন পর ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য ৭ জুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন গ্রেপ্তার সেই ৬১ আইনজীবী

অনলাইন ডেস্ক
ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন গ্রেপ্তার সেই ৬১ আইনজীবী

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবী সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিচার চেয়ে মানববন্ধন করেছেন।

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সামনে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তারা বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত এ মানববন্ধন করেন। এ সময় তারা ‘ইউনূসের বিচার চাই’-সহ নানা স্লোগান দেন।

মানববন্ধনে কারামুক্ত আইনজীবী মাহফুজুর রহমান লিখন বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না দেওয়া, মামলা পরিচালনা করতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা জানান।

তিনি বিগত সরকারের সময় কারাগারে থাকা আইনজীবীদের মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

মানববন্ধনে কারামুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন– অ্যাডভোকেট ওবায়দুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট লিটন মিয়া ও অ্যাডভোকেট মো. তৌহিদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট শামীম আল সোহাগ সাইফুল।